অত্রি ভট্টাচার্য্য-এর কবিতা

ভূমিকম্প


দু’পাত্র উঠলে নিকট-ও মানুষ, দূরেরটি
মরীচিকা লেপচাজগতে পর্যবসিত।
আমরা এ দুয়ের কোনটিই
চেখে দেখিনি, পাহাড়ও আমাদের
অমন ভারঅসাম্যে চেনে না। পাহাড়ের
অতিথিঝোরা খুঁতধ্বস মাঘেত্যাদি মাসে কুয়াশা ও
অশান্তির প্রতীক হয়ে থাকে। আমাদের তুমিটিই
বোঝো না প্রতিটি মিঠেশব্দ ফার্ণের পালিত বনসাই

পুরষ্কৃত রোমের কুকুর।


জুলাই সেই-এর মিরিক আমি আদৌ দেখিনি। খবর
এসেছিল বন্ধুরা কাঁপছে, লেক-এর
আঁশটে জল কালো ক’রে দিচ্ছে
সন্ধ্যের আকাশ। অসীম ভূটিয়া ও ছেত্রীরা
কোয়েকের গন্ধে পাথর, যদিচ

স্বর্গ-ও ধ্যানগম্ভীরতার খবর এত অপ্সরার
সূত্রে ঐখানে পাঠিয়েছে।


এতদিন বাদে লিখলাম আমি সূর্যাস্ত দেখিনি
বেহালার ছড় গুটিয়ে গুটিয়ে চাকা বানানো যে পাহাড়ী
জার্নি, উঠে বসিনি। নিহিত আমিগুলিই এত অথচ-র বাঁক
মুঠোয় নিয়েছিলাম।

তদানীন্তন টাচপ্যাডটি আমার চোখে ক্ষমতা হারিয়েছে।

বন্যা

তোমার রক্তের বিনিময়ে ভালো আছি। কমেন্টবক্সে
কোলোকাল ফুল, বহ্নিপাতা, উৎসবের
নানান ভণিতা, না হ’লেও
জীবন বেশ চলে যেত। তোমার
অচিরেই বৈভবগাছ এইসব অবাঞ্ছিত রাঙায়
রাস্তা উপড়ে জিভে এসে ঠেকে তরল সাপ।

কান্নার অচ্যুতদূরে প্রবাল কান পাতে
কথিত ভণিতা সরায়, যে বিপুল
ইশারাপ্রবাহ জমে ড্রেণ বোঝাই
তাকে এমন অপরূপ বোঝে !

খালি বেলচায় মাথা দিতে দিতে তাদের-ও
আশ্রয় কাবার। ওগো মাছ

ঠোকরাতে গিয়ে ভুলে গেলে
চার ও রাতের সম্পর্ক?

Facebook Comments

2 thoughts on “অত্রি ভট্টাচার্য্য-এর কবিতা Leave a comment

  1. অনেকদিন বাদে তোর লেখা পড়লাম।

  2. চমৎকার লেখা, অত্রিদা। সবগুলো ভালো লাগলো

Leave a Reply