গল্প : ঋজুবর্ত্ম

লায়াপেয়ালা



আপামোর সোয়েটারের ভিতর একা একা শুয়ে থাকে রিতকর্ণা। সোয়েটারের বলগুলো খুলে যায় মাঝেমধ্যে দেখেছি তুমি। উলেরগুলো হাওয়ায় উড়ে যাচ্ছে আপনি দেখতে পাচ্ছি। রাত করে বাড়ি ফিরে নিয়ে তিনি দেখতে পাই একটা সংঘবদ্ধ পাকিয়ে যে এক বিভিন্ন বিচ্ছিরি চোখে কারি পড়ে গেছে কয়েকদিন হল সে বারংবার বলেছি। রিতকর্ণা এই সপ্তাহের জনপ্রিয় জানুয়ারিতে মেহমান সেজে ঝামেলায় পড়ে দিয়েছিল বনলতাকে। বনো ওকে কখনো চিনত না। সেয়ামি জানাতে বাধ্য হই রিতু অনেক সময় দেখা লাগে বনলতা তোমাকে চিনতে না পারলে বিপদ হতো তাই না কী ভীষণ হচ্ছ সেসব বললাম।
আসলে রিতকর্ণা হয়েছি কি আরামদায়ক এরকম সোফা অজস্র জনের মাঝখানে নাকডাকা। ও বলল
আমিও সেভাবে ঠিক রিতকর্ণা নই। অর্থাৎ অন্যের সোফায় চোখেকালি পড়বে দাগে ধরে যাবে এ অত্যাচার। আপনি মানলাম কিন্তু রিতকর্ণা একটা আশ্চর্য সংরক্ষণ বনলতা আমাদের গ্রীবার এতো থেকে গেলো যে নটা বছর সেক্ষেত্রে। তুমি একচোট হাসলাম রিতুও। এভাবে আমরা দুজন অনেকক্ষণ হাসতে থাকছিল দুপুরগুলো। বনলতা নটা বছর ফিরে না আসার পিছনে অনেক কারণ দেখাতে পারে বরং রিতকর্ণা সকাল সকাল যে খাটালের গরুটার দুধ বয়ে আনে তার শতকরা ফ্যাট হয়ে থাকতে পারেন। বনলতা বড়ো ইচ্ছে করে তোমার গালের এবড়ো খেবড়ো গুলো ছুঁয়ে দেখতে পারা।।। রিতুকর্ণা সং সঙ্গ ত্যাগ দিতে পারে এরূপ বলল, তুমি একদম ছুঁয়ে ফেলিস না বনলতা একটা ক্লাসিকাল হুডকিন লিম্ফমা এক্ষেত্রে বাঁ দিকের পাঁজরে দুম করে গজিয়ে উঠতে পারে। সে একেবারে ফ্যাট মুখেও তুলিসনা। তুমি এক পেয়ালার সঙ্গে বেরিয়ে পড়া যাক অনেকটা। বনলতা একটা আলমানাক দিনক্ষণ ঠিক করা যাক। বনলতা এলকালাইন ও হতে পারে এই ক্ষারক জল সে হাত পা ডুবিয়ে দিচ্ছি হাঁটু পর্যন্ত ঠান্ডা বড়ো কনকনে পাটা পিচ্ছিল কী বুঝতে পারছিনা।

আমি ব্রা বরাবর বারান্দার দিকে বহুকাল দাঁড়িয়ে থেকেছি। সেসব বহুবছর। একদা পেয়াল দাঁতের ফোলা মাড়িতে আজকাল হাত দিয়ে বুঝতে পরে কতকাল চুমু হয়নি। তবুতো বারান্দাটা এখনো পাইয়রিয়ার দুর্গন্ধ ছড়ায়। পেয়াল একটা কেটলির মুখের গরম জল ভরে রাখছিল। আমি সেসব পেয়ালে আঙুল দিয়ে দেখেছিলাম সেও এক গরম পানীয়। আমি চুমুক দি। ক কেটে চুমু দি। মু কেটে চু দি চু কেটে দি শুধু দি।।। কলিং বেলটা বাজছে। আমি চমকে উঠি। পেয়াল আমার শক্তপোক্ত আঙুলের মধ্যে থেকে হড়কে যাচ্ছে আ আ আমার পেয়াল আমার সাধের পেয়াল আ আ তুমি চলে যাচ্ছো একটামাত্র আহা হুহুকাপ আকাঙ্ক্ষার বনলতা। রিতকর্ণা হিলিয়ে ওঠে সে ছুঁয়ো না এক ভয়াল লিম্ফোমা অকাতর তোমার রীঢ়ে রীঢ়ে বাসা বাধবে ।

Facebook Comments
Advertisements

Leave a Reply