পলাশ দে-এর কবিতা

চান


নুন ফেরত দিতে এসে দেখি

সমুদ্র, পানীয় হতে চাইছে

তোমার জন্য …তোমার জন্য! তোমার

পাঁজর পর্যন্ত আঙুল ঢুকিয়ে বমি করছি

মেঘের আঁশ আর মাটির শিরা বুনে বুনে

এই শীতলপাটি ওগো শীতলপাটি

তুমি এসো, বসো, পদ্মপাতায় ভাতডাল দি’

আর মন্থনে উঠে আসা গরল

না তুমি উদ্বাস্তু নিয়ে এতটুকু ভেবো না

নৌকায় টলতে থাকা পৃথিবীর মানুষ

কেউ কেউ ডাকবে বলে বসন্তের প্রয়োজন নেই

নুন ফেরত নিয়ে যাও শুধু

সমুদ্র হয়ে ওঠো আবার

চান করবার সময় যেন ঢেউ থাকে

ফাউ থাকে যেন স্তনছাপ এবং ফাঁকা হাঁটুর সুর

হেঁচকি উঠলে আমি তোমাকেই চাই

নোনতা অথবা স্বাদু …যে কোনো



ফেরার


জলের থেকেও অধিক ভিজে যাচ্ছি 

নৈবেদ্যের চেয়েও ফালা ফালা 

ঝোপঝাড়ে আমের কুশি নেই শিলাবৃষ্টি হাপিস

বন্ধু খুঁজতে গিয়ে “আমি” কুড়িয়ে আনছি

হাঁফ ধরে যায় হাঁফ ধরে যায়

তুমি মুক্তিযুদ্ধের পেট সেলাই করে ফিরেছো 

মুখ বন্ধ রেখেছ এখনো কাঁটাতারের সঙ্গে

পিঠের দাগ

হাওয়ার থেকেও বেশি জমাট বেঁধে চলেছি রক্তে

হাঁ -য়ে উড়ন্ত প্রেমিক, উন্মাদ বোন, পলাতক পিতা

দেনা শোধ করতে গিয়ে সমস্ত খোয়াব

কালবৈশাখী হয়ে গেল

আজও ফিরছে না

তোমার পেখম, কার্তুজ ভাবছে কেউ কেউ

Facebook Comments
Advertisements

2 thoughts on “পলাশ দে-এর কবিতা Leave a comment

Leave a Reply