শাশ্বতী মজুমদার-এর গল্প

ভয়

সন্ধের শহর জেগে ওঠার সময় সমস্ত রাস্তাময় এত উপাদান ছড়ান ছিল যে অমৃতা হা করে দুনিয়া দেখছিল। চলার গতি কমে বেড়ে আবার কমে যায় যখন সে এসব ভেতরে গুছিয়ে লিখে রাখতে থাকে। এটা তার স্বভাব। বারবারি সে এমন কিছুকিছু অনুচ্ছেদ লিখে রেখেছে, পরে কখনো বড়ো করে তুলবে এই ভেবে। কিন্তু আজ প্রায় না চলা রাস্তাটায় প্রয়োজনে ঢুঁ মেরে সে একদিনে ও একবেলায় এত বিষয় পেয়ে গেল যে কোনটাকেই তার নতুন কাজের বিষয় করে তুলতে পারল না। সে ফিরে এল পুরনো ভাবনাটায়। তার মাকে নিয়ে। তার মা হয়ত মরে গেছে কিংবা মরে যাবে। যেটা বাইরের লোকের কাছে খুব একটা পরিষ্কার ছিল না অনেকদিন হল। বোধহয় পাঁচ বছর হবে। কারণটা এত দীর্ঘ ছিল যে তা কেউই ধৈর্য ধরে শুনবে না। কিংবা গুছিয়ে বলার মধ্যে যে বেশ একটা পাক দেওয়া থাকে সে কাজে সে অক্ষম। তাই সে মৌন থাকাটাই ঠিক মনে করেছিল। কিন্তু তার রোজ গিয়ে মেশে সেই ঘরে যেখানের একটা সোফায় তার মা হয়ত শুয়ে থাকে। কতক্ষণ, কতদিন, কত মাস, কত বছর হল তার হিসাব এত হয়ে পড়েছে যে সবাই ভুলতে বসেছে। অমৃতা মনে রেখেছে তার এবং তার নিকট পরিজনদের বাচ্চাদের শিক্ষাবর্ষ হিসাব করে।  সে ঘরে তার বাবার একটা ছবি আছে। ভদ্রলোক মারা যাবার দিন তেরোর মাথায় ওটা বাঁধিয়ে আসে ও বাড়িতে। শেষযাত্রার কাজেকম্মের দরকারে।ভদ্রলোক ছবি তুলতে বললে খুশি হতেন কারণ তিনি জানতেন ও মানতেন তাকে সুন্দর দেখতে। কিন্তু সব ছবিতেই তিনি একভাবে দাঁড়াতেন ও হাসতেন। তার অবশ্য লম্বা জীবনে খুব কিছু ছবি তোলা হয়নি। তার এবং তাদের সময়টাই ছিল আলাদা। উত্তাল দেশ, উন্মাদ সময়বৃত্তে কেটে যায় তার বাল্য-কৈশোর-যৌবন। পরে থাকা জীবনটাতে যা ঘুরতে বেরাতে গিয়ে একআধটা তোলা। তারপর যখন হাতেহাতে মোবাইল ছড়িয়ে পড়েছে, নাতিনাতনিরা তাতে ছবি তুলতে শিখেছে তখন আহ্লাদের দাদু হয়েছে ফ্রেম বন্দি। তো যে কথাটা হচ্ছিল, সেই ছবিটা শ্রাদ্ধের পর মালাটালার থেকে রেহাই পেলে উঠে গেল পূর্বদিকের দেয়ালে জানলার ওপরে। এখন অমৃতার মায়ের কথা অনুযায়ী ভদ্রলোক ওখানেই থাকেন আর তার জীবনের বিড়ম্বনা দেখে হাসেন। অদ্ভুত শোনাল কি? হ্যাঁ, এমনটাই অমৃতার মা বিশ্বাস করে। সে এমন আরও অনেককিছু বিশ্বাস করে যেমন অমৃতার  সঙ্গে যখন সে ফোনে কথা বলে তখন তার কথা তার বাড়ির লোকেরা শুনছে যাদের সে কথাগুলো শোনাতে চায় না, তার অনেককিছু বলার আছে কিন্তু বলা যাচ্ছে না এসব কারণে। তার ছেলের বিবাহিত জীবনটাতে কোনএমন গল্প আছে যা প্রাইম টাইমের সিরিয়ালকেও হারিয়ে দিতে পারে। সে যাদের সঙ্গে থাকে তারা তাকে ভালবাসে না ও সবসময় তাকে অপদস্ত করে। তা অবশ্য অমৃতারও সত্যি মনে হয়। কারণ সে দেখেছে এই বৃদ্ধাকে কেউ খাবার বেড়ে দেয় না, রান্না করা থাকে দুপুরের ও রাতের খাবার একসাথে। সে নিজে বেড়ে নেয়। সে গরম করার ইলেক্ট্রনিক্স যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে ভয় পায় আরও অনেক কিছু ভয়ের মতো; ফলে খুব শীতেও তাকে ঠাণ্ডা খাবার খেতে হয়। বিকেলে চা জোটে না। কিন্তু তিনি এবং অমৃতার বাবা অনেক আয়োজন করে সকাল সন্ধে চা খেতে অভ্যস্ত ছিলেন। বৃদ্ধা যে বাথরুমটায় যায় সেটার হাল সরকারি বাথরুমের থেকেও খারাপ।বৃদ্ধা বাত ও নার্ভের রোগে ভালো করে নড়তে চড়তে পারে না। ফলে প্রায়ই অমৃতা খবর পায় সে ওই বাথরুমে পিছলে পড়ে গিয়েছিল। অবশ্য যখন অমৃতা জানতে পারে তার মাঝে দিন কতক সময় পেরিয়ে যায়। আসলে অমৃতাও যতই তার কথা রোজ ভাবুক মাসে একদিন বা দুদিন কখনো দুমাসে একদিনের বেশি যেতে পারে না। কিন্তু এই বৃদ্ধাও কোন রাতে তাকে শান্তিতে ঘুমাতে দেয় না। ফিরে ফিরে আসে কিংবা অমৃতাকে তার কুইন বেড থেকে তুলে নিয়ে যায় নিজের শোফার ডানদিকের চেয়ারে। 

ভয়। সমুদ্র বুকে সুনামি ওঠার আগে অনেকটা মুহূর্ত স্তব্ধ হয়ে থাকে। যেন টলেমীর সত্য, পৃথিবী স্থির হয়ে গেছে। মানুষ খবর পেয়েও ভয় পায়, না পেয়েও ভয় সংগ্রহ করে চারিদিকের নিস্তব্ধতা থেকে। কিন্তু সব জেনে জানিওএত বেকুব বনে যায় যে বুদ্ধি হারিয়ে ফেলে। অমৃতা নানারকম ভয় পায়। ওর মায়ের মতো। এখন ঠিক মনে করতে পারে না কবে থেকে ও এতটা ভীতু হয়ে উঠল। কেনই বা হল? ‘শুধু এই জিজ্ঞাসা থাকে…’। দুটো রাস্তা কবে যে এত গুলিয়ে গেল তাও সে বোঝে না। সে মায়ের সামনে বসে নানা বাজে গল্প শোনে। যেমন কবে কে পাড়ায় আবার মারা গেল, তার শ্বশুর কতটা খারাপ আছে, খোঁজ নেয় যে লোকটা অমৃতার বরের সঙ্গে চাকরি করে, যে কিনা ক্যান্সারে ভুগছে সে মরল কিনা। এসব মৃত্যু পথযাত্রীরা যাদের দিকে অমৃতার মা ঈর্ষা ভরে তাকিয়ে আছে, আর সে তাকিয়ে থাকে ওর দিকে। দু-একবার জিজ্ঞাসাও করে ফেলে মনে মনে ‘মা তুমি কবে মরবে? আমার বাড়ির একতলাটা চাই।’ তারপর জিভটা টেনে ধরে নিজের মধ্যে। কোথায় গেল সব বিপ্লব? কেন সে মায়ের কেটে পড়ার অপেক্ষা করছে? কেন সে নিজে থেকে আলাদা থাকার জোগাড় করছে না? সমস্যা কোথায়? মনে পড়ে যায় ঠিক তখনই  তার কাজের দুনিয়ার কথা। যেখানে আপোষ আর খোপে খোপে পলিটিক্স? যার সম্পর্কে সে যতই অনীহা দেখাক মনে মনে আসলে অনেকেই ভাবে সেও একটা কেন্দ্র শক্তি। যাকে তেল দেওয়া ও ভয় পাওয়ার প্রাসঙ্গিক প্রয়োজন আছে। তারা জানে না সে আসলে নিজে কতটা ভয় পাচ্ছে প্রতিনিয়ত তার অবস্থানে দাঁড়িয়ে। সে ক্রমাগত ক্লান্ত হয়ে পড়ছে সেই পরিচয়ের অংশীদার নিজেকে ভাবতে যে পরিচয় তার জীবনে গড়ে উঠেছিল স্কুলের শেষবেলার চৌহুদ্দি থেকে। এইরকম দিনমানে তার মনে পড়ে যায় তাকে একবার হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল। তারা পারেনি প্রেমের উত্তেজনাকে ঠিকানায় পৌঁছে দিতে। তার এত বেসামাল রক্তপাত হতে শুরু করেছিল যে লজ্জার মাথা খেয়ে বাবা-মাকে জানাতে ও হাসপাতাল মুখ হতে বাধ্য হয়েছিল সে। না আজ যত জটিলই হয়ে যাক অমৃতা এবং অর্চকের জীবন সেদিন সত্যিই অর্চক তার ওপর কোন অন্যায় করেনি। আসলে শিক্ষা নিয়ে, জীবন শৈলী নিয়ে বছর বছর সে অনেক কটা সেমিনারে গিয়ে বুঝেছে সেক্স এডুকেশন দেওয়াটা কী ভীষণ জরুরি আর কী ভীষণ ভাবে তা নিয়ে ব্যবস্থা আজও সমান নিশ্চুপ। সুতরাং আরও অনেক অর্চক এবং অমৃতা অপেক্ষা করবে এসব কুৎসিত মন্তব্য শোনার জন্য যা সে সেরাতে শুনেছিল। তার বাবা, ওই রাতে ডিউটিতে বহাল থাকা ছাত্র ডাক্তার, অর্চকের মা সবাই তাদের সন্দেহ করেছিল। কেউ ডাইরি করবে ভেবেছিল, কেউ প্রশ্ন তুলে ছিল ‘কেন এমনটা সে করল, সেকি ভেবেছিল তার সঙ্গে অর্চককে বিয়ে দেওয়া হবে না, সেকি একবার ভাবল না তাদের পারিবারিক রাজনৈতিক পরিচিতির কথা’, ইত্যাদি অনেক সন্দেহ ও অপমান নেমে এসেছিল জীবনে। সেদিন প্রথম সে বুঝি একটা ভয় পেয়েছিল। আজ এত বছর পর যখন সে সবেতে ভয় পাচ্ছে তখন সত্যিই একটা ভয় সে সেদিন পেয়েছিল বলে আজ চিন্তে পারে। ভয় পেয়েছিল এ ঘটনা নিয়ে তার বাবা বা হাসপাতাল কোন উত্তেজনা দেখালে তার বোধহয় আর অর্চককে কোনদিন বিয়ে করা হত না। তাকে এমন কাউকে বিয়ে করতে হত তখন যার সাথে সে বিছানায় যেতে চাইত না। কিন্তু তখন নিয়মিত অর্চককে সবকথা বললেও একথা সে বলে উঠতে পারেনি। পাছে খুব মানে নিচু শোনায়।

যাইহোক এভাবে সে চিনেছিল সে একটা বড়ো সামাজিক পারিবারিক পরিচয়ের অংশ হয়ে গেছে। সে কেবল ভালোবাসেনি, একসঙ্গে পথ হাঁটেনি। তারা পথ বেঁধেছে সেই আদর্শের ওপর যাকে এবার থেকে সাবধানে তাকেও বয়ে চলতে হবে। হয়ত সে বিশাল কিছু দায়িত্ব ভাবেনি তাকে, কারণ অঙ্গীকারবদ্ধ সব যুগলই এমন কিছু ভাবে। তাইএতে তার কখনও কোন চাপ হয়নি। হয়নি কারণ সে বরাবরই অন্যধারার প্রতি আকর্ষণ অনুভব করেছে। এমনকি তাকে নিয়ে চলতে ও বাঁচাতে সে কিছু ভাবেনি কেবল যা সত্যি তার পক্ষে থাকা ছাড়া।তবে এখন কী এমন ঘটল? অমৃতা বোধহয় ভেবেছিল এসব পটভূমিকা শেষে একটা খাঁটি গপ্প আলাদা করে কোথাও আছে। যেখানে সে এবং কেবল অর্চক আছে। সাদা চাদরের নিচে জেগে উঠবে চমৎকার এক শান্ত আলো। তারপর যেখান থেকে দূরে চলে যাবে ছাঁটাইয়ের গল্প, যাকে ছাঁটাইকরা হল তার জন্য কুৎসিত মন্তব্য করার দায়, তার প্রতি সমবেদনা বা গলার কাছে জমা কষ্ট বুঝতে পেরে কেউ বলবে না ‘ছিঃ তুমিও’। কোনও বিশ্বাস ও অবিশ্বাস চাগানো সমর্থনের জোয়ার-ভাঁটা  নিয়ে অর্চক ও সে আর লড়বে না। সেই সাদা চাদরের আলিঙ্গনে সে নিশ্চয়ই একদিন খুব বড়ো একটা চমৎকার উপহার পাবে অর্চকের থেকে যা কিনা সে এখনও কল্পনা করতে পারে না, হয়ত শহরের খুব পুরনো, খুব ঘিঞ্জি কোন রেস্তরাঁয়খেতে যাবে তারা। আর যেখানে তারা কয়েক ঘণ্টা হারিয়ে যাবে দুজনের সমান ইচ্ছায়। কিছু নিয়ে তাদের মধ্যে আর পরস্পরকে মাপাঝোঁকা থাকবে না। থাকবে না কোন বড়ো ঘটনার অভিঘাত অন্য কারো অন্য কোথা থেকে উঠে আসা। কেবল না হয় সেদিন অনেক বোকা কিছু গল্পই হল। কি হল তাতে!তারাও তো এজীবনে পৌঁছাতে অনেকটা পরিশ্রম করেছিল এবং এখনও প্রতিনিয়ত করছে। তবে কেন একটি সন্ধে-রাতে তাদের ভেসে যাওয়ার এক্তিয়ার থাকবে না? আর এভাবেই রাতখুব গভীর হয়ে গেলে আর ফিরবে না তারাএ জগতে।

ভয়। অমৃতা ভয় পায় যদি তার লেখাটা শেষ হয়ে যায় তবে এখুনি তার মা শেষবার নিঃশ্বাস ফেলবে। সে চেয়েছিল এ ঘরটা পেতে কিন্তু এখন সে আর চায় না। কারণ সে খুব ভয় পাচ্ছে। এই লোকটাকে সে যেতে দেবে না। এই কেবলমাত্র তাকে এ গ্রহে সবচেয়ে বেশি দিন চেনে। তাকে সব রকম চঞ্চলতায় তার মাই কেবল মেনে নিয়েছে। সুতরাং তাকে লিখে যেতেই হবে। রাত যতই বাড়ুক, লেখার বিষয় শহর ঘেঁটে না পাওয়া গেলে, নিজের জীবনে না খুঁড়ে পেলে তাকে ভালো গল্প বুনিয়েদের গল্প চুরি করতে হবে তবু তার ভয়টাকে বাড়তে দেওয়া যাবে না। এ যেন অনেকটা সেই শেষ পাতাটি যার দিকে তাকিয়ে একটা বিশ্বাস বেঁচে আছে। তার জন্য তার বন্ধুর সেই লড়াই। ঠিক তেমনি তার লেখা থেমে গেলে যেন তার মা আর থাকবে না। সে তখন তাদের শোফার চারপাশে বসে থাকা অশরীরীদের দলে চলে যাবে। তখন অমৃতার আবার ভয় করবে। ভয় পাবে সে সব অন্যায় ঘটনাগুলোকে যাকে অনেকেই ভয় পাচ্ছে না। যারা তার বন্ধু, তারা এক এক করে বলছে ‘আয় আরও বেঁধে বেঁধে থাকি’। সে বন্ধন স্বীকার করতে ভয় পাচ্ছে, একের পর এক বন্ধুকে বলছে ‘চলে যা তোরা’, ভয় পাচ্ছে তারা তাকে ভালো বাসলে, ভয় পাচ্ছে তারা ভয় পাচ্ছে না বলে, নিজেকে প্রতিনিয়ত বলছে ওদের আলাদা বন্দোবস্ত করা আছে বলে ওরা এই মেকি বিপ্লব করতে পারছে। অমৃতা মাকে ফেলে একবার শহরের কেন্দ্রে হেঁটে আসবে ভাবে। তার ‘দ্য মেটামরফোসিস’টা আর ফেরত আসেনি কোন এক বন্ধুকে পড়াতে গিয়ে। কিন্তু তার খুব দরকার ছিল বইটা। সে ভয় পাচ্ছে, মেপে মেপে কথা বলছে, সাবধানে, নিজেকে বলছে সে বেঁচে যাবে, এবারের মতো টিকে যাবে। মার নাকের কাছে দুটো আঙুল ধরে। আছে আছে, এখনও বুড়ি আছে।

একটা বেনামী সংবাদপত্রে একটা খবর প্রকাশিত হতে পারত যদি অল্প বয়সী সাংবাদিক সুযোগ পেত। যা তার চিরশত্রু বশ এবারেও গুরুত্ব দেয়নি এবং খানিক হেসে বলেছিল‘আজ তক তোমাকে খুঁজছে পাভেল’। সে লিখেছিল অমৃতারপ্রতি এক হৃদয় ঘটিত ব্যথা থেকে ‘অন্যমনস্ক ছিল সেদিন মর্গ থেকে ফেরার পথে অমৃতা চৌধুরী। তার মাকে নিয়ে করা পুলিশ কর্তার প্রশ্নগুলো সম্ভবত তার মাথায় ঘুরছিল। আত্মহত্যা করলেন কেন ঊনআশি বছরের এক অশক্ত বৃদ্ধা এ প্রশ্ন পুলিশ তার এবং তার ভাইয়ের কাছে জানতে চেয়েছিল। তার মায়ের সোফায় একটা কাফ্‌কার ‘দ্য মেটামরফোসিস’ বই পাওয়া গেছে।সাহিত্য রসিক এস.আই বইটা পড়েছেন। তাই কে বা কেন তাকে এই বইটা পড়ে শোনাচ্ছিল জানতে চাওয়া হয়। অমৃতা চৌধুরী স্বীকার করে ছিলেন তিনিই তাঁর মাকে সন্ধেবেলা পড়ে শুনিয়েছিলেন এবং তারপর সবিতা চৌধুরী ঘুমিয়ে পড়লে তিনি খানিক রাত পর্যন্ত ডাইরি লিখেছিলেন। গাড়ির কাঁচ ভাঙা হলেও এবং ড্রাইভার লোকটি পুলিশ না পৌঁছানো পর্যন্ত বেজায় মারধর খেলেও প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অমৃতা চৌধুরীএতটাই অন্যমনস্কভাবে সিগন্যাল না দেখেই সোজা চলে গেলেন কিছু করার ছিল না।’

২০/২/১৯

Facebook Comments

Leave a Reply