ধারাবাহিক উপন্যাস : নীলাব্জ চক্রবর্তী

যখন সবাই ছিল সংখ্যালঘু অথবা বাথরুমের জানলা থেকে চাঁদ দেখা যাচ্ছে

ষষ্ঠ পর্ব

১৩

তো…
তোমার…
তোমার সাথে…
তোমার সাথে দেখা…
তোমার সাথে দেখা হল…
তোমার সাথে দেখা হল না…
তোমার সাথে দেখা হল না তবুও…

… …
… … …

# * # * #

— সেলফি স্টিক ১৫০, সেলফি স্টিক ১৫০…
— আরে কদ্দিন পর…
— লাইন ভাঙবেন না, কেউ লাইন ভাঙবেন না…
— দাদা পেচ্ছাপখানাটা কোন দিকে?
— মালটাকে দ্যাখ একবার…
— খানকীর ছেলে…
— দাদা একটা ছ’শোর থামস আপ দিন তো…
— উহহ… ঘাইমা পুরা ছাআআন হয়া গ্যালাম…
— জানিস তো, কাশ্মীরের মোসলমান মেয়ে বিয়ে করলে সরকার থেকে এক কাঠা করে জমি দিচ্ছে…
— কেউ মোবাইল বের করবেন না, মোবাইল বের করবেন না…
— বকুল ফুল বকুল ফুল / বকুল ফুল বকুল ফুল / শালুক ফুলের লাহাজ নাহাই / দিনেহে কেনোহ ফোটে…
— আরে ধাক্কা দেবেন না, ধাক্কা দেবেন না…
— ও দাদা, বলুন না, পেচ্ছাপখানাটা কোন দিকে… সেই কখন থেকে চেপে আছি…
— দ্যাখ, বিশ্বদাটা কেমন ঢ্যামনা… এবারও এল না আমাদের সাথে…
— গতবছরও, মনে আছে? একটুও বৃষ্টি হয়নি সপ্তমীতে…
— আসুন আসুন, পুজোর সেরা ঝালমুড়ি… মাত্র ২০ টাকা ২০ টাকা ২০ টাকা…
— সরা এখান থেকে তোর দোকান-ফোকান, পিঠের চামড়া তুলে দেবো…
— আচ্ছা, তুই এই বুকপকেটওয়ালা পাঞ্জাবীগুলো কোথা থেকে কিনিস রে?
— দাদা, গড়িয়াহাট মোড়টা কোন দিকে?
— কই ছিলিস? ভাবলাম আমাগো লগে বাইরাবি… ফোন কই তর? ফোন বন্ধ কইরা রাখস ক্যান? কী হইসে কী তর?
— প্যাণ্ডেলের গায়ে কেউ হাত দেবেন না, বারবার বলছি, প্যাণ্ডেলের গায়ে…
— না রে, কোল্ড ড্রিংক্স খাব না, একদম ছেড়ে দিয়েছি, আরে তোরা খা না…
— শালা কি হারামি রে তুই, এখানে দাঁড়িয়ে বৃষ্টি বৃষ্টি করছিস…
— কী রে, বললি না, ফ্যাসিবাদ কাকে বলে?
— ওহ, সেই বছর ম্যাডক্স স্ক্যোয়ার… মনে আছে?
— যাই বল, পুজোয় কী করে যে কলকাতা ছেড়ে বাইরে বেড়াতে যায় লোকে…
— বাগবাজারে গিয়ে একটা পান খাব কিন্তু…
— সেবার ফেরার সময়, মনে আছে? সেই যে ট্যাক্সিড্রাইভার ঘুমিয়ে পড়েছিল… ধড়াম করে একটা বাসে ধাক্কা মারল…
— পেপারে দেখসিলি? কারা জানি এন আর সি নিয়া থিম করসে পূজায়… হেবি ভিড় হইতাসে… যাবি?
— বাই দ্য ওয়ে, বৃষ্টিটা ঠিক কে আসলে, অ্যাঁ, কোন কলেজ, কোন ইয়ার?
— ঘাঁটাপুর থেকে এসেছেন মিস প্রগতি শীল। আপনি হারিয়ে গেছেন। আপনার বাবা শ্রী চিন্তা শীল আপনার জন্য আমাদের পূজা কমিটির অফিসে অপেক্ষা করছেন…
— গতবার টানা ট্যাক্সি পেয়ে গেছিলাম ডানলপ অবধি…
— আবার বলছি মোবাইল বের করবেন না, এবার ফোন জমা হয়ে যাবে, থানা থেকে কাল ছাড়াতে হবে…
— রাত তিনটে বাজে, তবু রাস্তায় কতো লোক দ্যাখ… সব শালার মাথাখারাপ…
— জীবনে চলার পথে হয়ে যায় ভুল / ভুলটাকে ভুল করে ভাবি রাঙা ফুল…

# * # * #

তবুও তোমার সাথে দেখা হল না…
তবুও তোমার সাথে দেখা হল…
তবুও তোমার সাথে দেখা…
তবুও তোমার সাথে…
তবুও তোমার…
তবুও তো…
তবুও…
… … …
… …

১৪

যারে যায় না পাওয়া তারি হাওয়া লাগল কেন মোরে

জেগে থাকতে থাকতে ও সুন্দরী মাছটি
সারাদিন তোমার ভেতর স্বাস্থ্য-সচেতন
নুনের সেলাই খুলে
টুকরো টুকরো
ঝুঁকে আসা তিনভাগ আলো
স্তনভর্তি ভাষা ও ব্যবহার
উন্মুখ বালিশ বদলে বদলে
হরফের কাছে
যতদূর দেখছে
মৃত বাড়িগুলো থেকে
একটার পর একটা আকাশীরঙা গাড়ি বেরিয়ে আসছে
অধিকার পর্যন্ত অথচ
কেন যে
খুব ইনঅ্যাক্সিসিবল হয়ে আছ…

# * # * #

পুনর্ব্বার এবম্বিধ আয়োজন। তিমির তিমির। স্তনার্থে লিপ্সা ও চমৎকারিত্ব। তথাপি, হায়, মাধ্যাকর্ষণ এক সুদূরপ্রসারী প্রভাব। ফলতঃ, আপলিফট বক্ষবন্ধনী। স্তনন স্তনন। ডান এবং বামপক্ষের প্রিয় শব্দ দুইটি, ক্রমে, পরস্পরের প্রতিপক্ষ হইয়া উঠিবার স্পর্ধায় অপলক। অর্থাৎ, প্রকৃতপ্রস্তাবে, যে শব্দ দুইটি, দৃশ্যতঃ, কেবলি দোদুল্যমান অর্থাৎ দোদুল্যমতী। এবং, ক্রমে শক্ত হইয়া ওঠা বৃন্ত অবশ্যই এক রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি। সিন্দুর কি এক ঘ্রাণবিশেষ? বর্ণের অতিরিক্ত আর যাহা কিছু। স্পর্শের অতিরিক্ত। যাহা। কিছু। রক্ত। লিঙ্গ। আ-লিঙ্গ-ন। আলিঙ্গন। ইত্যাকার উচ্ছ্বাস। সুদীর্ঘ অপেক্ষাটি কি স্মিত হইবে না? ওল্ড নিমতা রোড হইবে না? বারাকপুর ট্রাঙ্ক রোড হইবে না? হাঁ, কেহ কেহ সড়ক বটে। উপেক্ষা বটে। প্রাপ্য অর্থে, ফ্যালাসি অর্থে, ফ্যান্টাসি অর্থে, ফিলিংস অর্থে; কেহ কেহ সাময়িক রুক্ষতা বটে। তাহাও মধুর। ইত্যবসরে, ভাষার দূরত্বে কিঞ্চিদধিক গোধূলি মিশিয়া যায়। শুধু সড়ক অতিক্রম করিবার নিমিত্ত সন্ধ্যা বুঝি এইরূপে আসে। বুঝি বা কাহার রেশম নামটি ত্যাগ করিয়া যাইতেছে। তবে কি যৌনতা? সেই অমোঘ করিডোর অব আনসার্টেনিটি! এতদূর লক্ষণীয়। অতঃপর, উপাধান ও তদভ্যন্তরস্থ তুলাসমূহের দগ্ধ হইবার কাল উপস্থিত। স্মরণ করিও, তুলা এক রাশি বটে। কিমাশ্চর্যম! নিদ্রাকালীন ভঙ্গিটির চির উপর অবিশ্রান্ত ছদ্ম-বারিবর্ষণ! সিউডো রেইন! সেইসব অনিবার্য স্বীয় মুহূর্তগুলি। ধর্ম্ম! এক বিস্ময়চিহ্নের ন্যায় যোনি। আসক্তি। ইহাই কি ন্যারেটিভ প্রভু? শ্রবণ করো বৎস্য, অবগত হও, ইনি; ন্যারেটিভের প্রপিতামহঠাকুর। ইনি হইলেন ইনস্টলড কালেকটিভ অ্যাণ্ড অ্যাপ্লায়েড কিউমুলেটিভ ডেরিভেটিভ। অধিক কী ব্যক্ত করিব, ধূম্রজালিকা এবং তাম্বুল অবধি যে সহগমন, যে পাঠ ও পতন; তাহাই প্রকৃত নীরবতা। এ গমন বিলক্ষণ স্বাদু। তথাপি, নীল যে ব্যর্থ অন্বেষণ। নীল যে একখানি ব্যর্থ স্মৃতিমাত্র। জিহ্বা ও অঙ্গুলিতে যে অসম্ভাবিত আদরমালা লিপিবদ্ধ হইল না। কেবল কাহার মৃদু ও কুণ্ঠিত হস্তাক্ষরে শারদ কবিতামালায় ক্যুরিয়র-বালিকার নিকট তৎকালীন সর্বস্ব সমর্পণ করিয়া আসা। এবং, অপেক্ষা। এবং, অপেক্ষাপট। এবং, বিভ্রান্তি। যাহা চর্ম্ম, মেদ, অস্থি, মজ্জা, মাংসরাশি অতিক্রম করিয়া প্রতীয়মান হইয়াও অস্পষ্ট। বস্তুতঃ, প্রতিটি স্তরই প্রত্যাখ্যানসঙ্কুল হইয়া উঠিতে চাহে। অতঃপর? ক্ষুধা, কেহই বা অবগত নহে, এক ভঙ্গুর দিবস মাত্র। এরূপ সাগর। এ রূপসাগর। রূপসাগরে নিমজ্জমান ব্যক্তিটির পিপাসার কী হইবে তবে? আঁখির কী হইবে? প্রেম! দেহ! বাসনা! অন্যথায় অনাবৃত ঊর্ধ্বাঙ্গ এবং কটিবস্ত্রমাত্র (পূর্ব্বকাল ও বিভাষা উহাকে ইতোমধ্যেই লুঙ্গি নামে অভিহিত করিয়াছিল) পরিধান করিয়া কাষ্ঠনির্মিত আয়তঘনকাকার চারপাইয়ের উপর ল্যাপটপ অবস্থিত করিবাপূর্ব্বক উপবিষ্ট হইয়া কেনই বা কেহ উপন্যাসের নামে এইরূপ জটিলতা নির্মাণে শ্রমদানপূর্বক সময় অতিবাহিত করিবে তাহারও কোনও সদুত্তর পাওয়া দুষ্কর নয় কি? অর্থনীতিশাস্ত্রে, শোনা যায়, এক প্রবচন প্রচলিত রহিয়াছে। আলোচ্য মার্জারটি শ্বেতকায় না কৃষ্ণবর্ণের তাহা বিবেচ্য নহে, উহা মূষিকশিকারে ক্ষম কি না, দড় কি না, কেবল তাহা বিচার্য হওয়াই ঔচিত্য। কেননা, সমুদ্র নিকটবর্তী হউক এবং নারিকেল সাতিশয় সুমিষ্ট। দ্রাক্ষাও। আর্দ্র আর্দ্র। আদর আদর। সারাদিন তোমারই কথা। প্রতিদিন তোমারেই স্বপ্নে। উপর্যুপরি স্বপ্নদৃশ্যের আছড়াইয়া পড়িবার অভিঘাত সম্ভব হইতে থাকে। এই বালুকারাশি। ভ্রম। জিহ্বা। কাহারে রচনা করি? হেতু এই লবণ। এই রৌদ্রচশমা যাহাকে দগ্ধ করিতেছে কেবল সে-ই অবগত আছে। স্পর্শ ভাবিতে ভাবিতে অনুমতি ভাবিতে ভাবিতে আদরমালার উপাখ্যান কি আর লিখিত হইবে না? হায় দশা! হায় উপঢৌকন! হায় মাদাম দেবানন্দ! কেবল শীতলতা ও ব্যাকরণ, মধ্যে মধ্যে তাম্বুলরস ও ভাষা, বিনিময় হইতে থাকে। বিনিময় সম্ভব হইতে থাকে। উত্তাপ নহে। এইরূপে, নিঃস্পৃহ প্রত্যাখ্যানসমূহের প্লবতা তাহাকে নিবিষ্ট, অবসন্ন ও যৎপরোনাস্তি আছন্ন করিয়া ফেলিতে থাকে। হায়, কেবল প্রাগুক্ত রূপাবধিই এই ধাতু। এতদ্ব্যতীত, গুণের কথা কি কহিব না? অধীত ও অর্জিত বিদ্যা ও বুদ্ধির কথা? শস্ত্রবৎ। ইত্যবসরে, দ্বিতীয়পত্রের সেই অনির্ব্বচনীয় কলনবিদ্যা তাহাদিগকে যৎপরোনাস্তি অভিজ্ঞ করিয়াছিল। অর্থাৎ, প্রেম নামক অপেক্ষকের সাপেক্ষে ভাষার ডেরিভেটিভ হইল চুম্বন। অতয়েব, গুডবাই ভাষা। বিদায় বিদায়। দ্বিধা দ্বিধা। সংশয় কি একটা মেঘাচ্ছন্ন দ্বিপ্রহরের নাম কেবল? অন্তর্বাসের নীল অতো গাঢ় নয় বুঝি বা তবে? প্রশ্ন হইল, ওষ্ঠাধর লিখিব না অধরোষ্ঠ। আহা, তাহা কি কেবলি গোলাপ আর গোলাপ নয়? লক্ষণীয়, অনুভূমিকভাবে অগ্রসর হইলে ওষ্ঠাধর বা অধরোষ্ঠ প্যালিনড্রোম বটে; অর্থাৎ কেবল উল্লম্ব একটি অক্ষের সাপেক্ষেই উহা প্যালিনড্রোম। দ্বিপ্রহর একটি দ্বীপবিশেষ তবে। একটি প্রতীক্ষাবিশেষ। প্রশ্ন হইল, কেন ওই প্রশ্রয় অনির্ব্বচনীয় হইয়া উঠিবে না প্রতিনিয়ত। তবে কি কেবল শ্যামল মিত্রই গাহিব? ‘তোমারই পথপানে চাহি…’। ক্রমে, পুনর্ব্বার তাম্বুলপ্রসঙ্গ। তাম্বুল। অর্থাৎ, পান-ই-প্রার্থনা। ক্রমে, পুনর্ব্বার পাণিপ্রার্থনা। ওষ্ঠাধরে কিঞ্চিন্মাত্র কষ্টার্জিত মৃদু হাস্য আনয়ন করিয়া, দেবী কহিলেন, ‘রও, আমি এইস্থলে রহিলাম। আইস, একবার আমার দক্ষিণহস্তের অঙ্গুলিসমূহ স্পর্শ করিয়া পুনরুজ্জীবিত হও। আপনায় পুনর্ব্বার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করহ, এবং, আমৃত্যু স্মরণ রাখিও, স্পর্শ অবশ্যই এক অনুমতি।’ হায় দেবী! হায় স্পর্শানুমতি! হায় মাদাম দেবানন্দ! এক্ষণে যদি রোল রিভার্সাল হয়! এক্ষণে এই অধম যদি দেবানন্দ হইয়া ওঠে! আপন গ্রীবা কিঞ্চিদধিক বক্রভঙ্গিমায় অবস্থান করাইয়া চক্ষে কিঞ্চিদধিক ইঙ্গিত আনয়নপূর্ব্বক যদি কহিয়া ওঠে… ‘থামেঙ্গে আগার হাথ… হাথ না ছোড়েঙ্গে… হুঁ হুঁ’। তুমি কি তাহা হইলে রোল রিভার্সালের অমোঘ সূত্রানুযায়ী আশা হইবে না; সাধনা হইবে না? ক্রমে, কখনও যৌনতা। কেহই বা অবগত না আছেন যে, স্পর্শ এক অনুমতি এবং যৌনতা, তদনুযায়ী, অবশ্যই এক অতীব শ্লীল প্রস্তাবমাত্র। হে পাঠিকাপাঠক, লক্ষ করিবেন, আসন ও ভঙ্গিমা পরিবর্তন করিতে করিতে প্রেমাকাঙ্ক্ষা ও স্পষ্টতা বিষয়ক যাহা কিছু অনুশীলন ও সম্যক অনুধাবনের যোগ্য হইয়া উঠিতেছে। তথাপি, যৌনতা অপেক্ষা স্বাদু যে ঋণ অপরিশোধ্যই রহিয়া গেল। তবে কি পুনর্ব্বার সেই শ্যামল মিত্রই গাহিব? ‘তোমার কাছে আমার যত ঋণ / পারব না তো জানিয়ে যেতে তোমায় কোনোদিন…’। এক ঘোর সরস্বতীর তরে যে ওষ্ঠাধর প্রতিনিয়ত দগ্ধ হইতেছে; উষ্ণ চা, অথবা, প্রকারান্তরে, উষ্ণতর টোম্যাটো স্যুপ তাহার আর নতুন করিয়া কি ক্ষতিবৃদ্ধিই বা করিবে! এ নভোমণ্ডলে কাহার স্ফূর্তি বাজিতেছে তবে? পক্ষান্তরে, কাহার শোক? ভালবাসিতে বাসিতে এই সেই পাথরদশা। অদ্য সংখ্যায় পাইয়াছে কাহাকেও বা। আপন জন্মসন অন্বেষণ করিতে করিতে উন্মত্তপ্রায় হইয়া কেনই বা কেহ বড় সড়কে বেগে ধাবমান প্রতিটি শকটের নম্বরপ্লেটের প্রতি গাঢ় ও অস্বাভাবিকরকম সনির্বন্ধ দৃষ্টিপাত করিতে করিতে প্রায় ছুটিয়া চলিয়াছে? ধীরে, এবং, নিশ্চিতরূপেই; হে ভবিষ্যৎ, হে পাঠিকাপাঠক, হে জন্মজন্মান্তর, সমগ্র মনুষ্যপ্রজাতি একদা বিলক্ষণ জ্ঞাত হইবে যে ঐতিহাসিক তথ্যপ্রমাণাদি ঐ দশককে মুক্তির দশক বলিয়া চিহ্নিত করিবার অভিপ্রায় পোষণ করিয়াছিল…

(চলবে)

Facebook Comments

Leave a Reply