মন, বিজ্ঞান এবং সদ্যজাত সাইকোলজি : সোমালী মুখার্জী

fail

এটা ২০২০ সাল। সব ভেবেচিন্তে বললে, খ্রীস্টের জন্মের পরবর্তী ২০২০তম বছর। এই সময়ে দাঁড়িয়ে মন নিয়ে পড়াশোনার কথা শুনলে বেশিরভাগই বলবেন, ‘সাইকোলজিস্ট’, ‘মনোবিদ’, ‘কাউন্সেলর’, ‘থেরাপিস্ট’ অথবা নিদেনপক্ষে ‘সাইকিয়াট্রিস্ট’ (নাহ এগুলো একই কথা নয়, পরে বিস্তারিত আলোচনায় যাচ্ছি)। কিন্তু প্রায় দেড়শো বছরের খাটনির পর, এই বিদ্যাকে আরেক নামেও ডাকা হয় – মনোবিজ্ঞান। কিন্তু মনোবিদ্যা কবে মনোবিজ্ঞান হল? আদৌ ল্যাবরেটরির ছোট ঘরে কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বোঝা সম্ভব মানুষের মন? এই সমস্ত প্রশ্ন নিয়েই হাজির ছিলেন আধুনিক ‘সাইকোলজি’র প্রথম পুরুষ উইলহেল্ম উন্ডট। সেই ব্যক্তি যিনি ইতিহাসে প্রথম মন সংক্রান্ত বৈজ্ঞানিক চর্চার জন্য গবেষণাগার বা ল্যাবরেটরি স্থাপন করেন ১৮৭৯ খীস্টাব্দে, জার্মানির লেইপজিগ বিশ্ববিদ্যালয়ে। ইনিই ইতিহাসে প্রথম ব্যক্তি যিনি নিজেকে সাইকোলজিস্ট হিসেবে পরিচয় দেন। হ্যাঁ, থেরাপিস্ট নয়, কাউন্সেলর নয়, সাইকিয়াট্রিস্ট নয়, সাইকোলজিস্ট।
উন্ডটের গবেষণাগার স্থাপনেরও প্রায় দু’হাজার বছর আগে পাশ্চাত্য দর্শনে আরিস্টটল ও প্লেটোর আলোচনায় মন ও মানসিক প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা পাওয়া যায়। প্লেটো প্রথম (খ্রীস্টপূর্ব ৪২৭-৩৪৭) ‘মন’ (soul) ও ‘শরীর’ (body) এর আলাদা অস্তিত্বের কথা বলেন এবং তার শিষ্য আরিস্টটল তার ‘ডি অ্যানিমা’ নামের গ্রন্থে মন ও শরীরকে মানবদেহের গুরুত্বপূর্ণ দুটি ভাগ মনে করে তাদের মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেন। প্রাচ্য দর্শনেও যেই আলোচনা কিছুটা পাওয়া যায় উপনিষদের দেহ ও আত্মার পৃথক অবস্থানের তত্ত্বে। এই দুই গোলার্ধের দর্শনেই স্পষ্ট ছিল, যে মন বা আত্মা, শরীরের ভিতরে ও বাইরে দুইভাবেই অবস্থান করতে পারে। অর্থাৎ মানুষের জ্ঞানচর্চার প্রায় আদি অবস্থান থেকেই ছিল মানসিক প্রক্রিয়া নিয়ে কৌতূহল এবং তার দার্শনিক চর্চা। কিন্তু সময় জ্ঞানচর্চাকে বৈজ্ঞানিক পন্থার দিকে ঠেলে দিয়েছে। উনবিংশ শতকের মধ্যভাগে যখন প্রায় সমস্ত বৈজ্ঞানিক শিক্ষা ধীরে ধীরে গবেষণাগারভিত্তিক হয়ে পড়ল, তখন মনোবিদ্যাকেও বের করে এনে গবেষণাগারে স্থাপনের প্রয়োজন পড়ল। কিন্তু যা ছোঁয়া যায় না, দেখা যায় না, শোনা যায় না, তাকে গবেষণাগারে এনে পরীক্ষানিরীক্ষার মাধ্যমে বোঝা যাবে? কিন্তু কিভাবে?
উন্ডট, মেডিসিনের ছাত্র। ডাক্তারি পাস করার পরবর্তী প্রায় কুড়ি বছরে, তিনি বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন এবং সমগ্র জার্মানির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছেন। জীবের শারীরবিদ্যা, পদার্থবিদ্যা, শারীরবিদ্যা সংক্রান্ত মনোবিদ্যা, দর্শন, নৃতত্ত্ব এরকম অনেক বিষয়ে অধ্যাপনা করার পর ১৮৭৫ সালে তিনি লেইপজিগ বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শনের অধ্যাপক হিসাবে কাজ শুরু করেন এবং পরিচিত হন আর্নস্ট হেনরিখ ওয়েবার ও গুস্তভ থিয়োডোর ফেকনারের সাথে, যারা দীর্ঘদিন ধরে ‘সাইকোফিজিক্স’ বা ‘মানসিক পদার্থবিদ্যা’ নিয়ে কাজ করছেন (বলাই বাহুল্য এদের দুজনেরই পড়াশোনার বিষয় ছিল পদার্থবিদ্যা প শারীরবিদ্যা)। এই গবেষণার মূল ধারণা ছিল ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য বস্তুর মাত্রা নির্দিষ্ট একটি অবস্থান থেকে যে ন্যুনতম পরিমাণ বাড়ানো হলে, মানুষের শরীর তা বুঝতে পারে, ওই বর্ধিত অবস্থান থেকে আবার ওই একই পরিমাণ যদি বাড়ানো হয় তাহলে আর বৃদ্ধি ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য হবে না। ওই বস্তুর পরিমাণ যদি গুণোত্তর প্রগতিতে বৃদ্ধি পায়, তবেই মানুষের ইন্দ্রিয়ের কাছে তা সমান্তর প্রগতিতে বৃদ্ধি পাবে, এবং এই গুণোত্তর প্রগতির সাধারণ অন্তরটি একেক মানুষের ক্ষেত্রে এক-একরকম হতে পারে। কিন্তু ওয়েবার প্রায় পঞ্চাশ বছরের পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর এই অনুপাতটির এবং ধ্রুবকটিরও স্পষ্ট নির্দেশিকা দিয়ে দিলেন (Weber’s Constant বা ওয়েবার ধ্রুবক)। অর্থাৎ যেকোনো বস্তুর পদার্থগত মাত্রা এবং ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য মাত্রার মধ্যের সম্পর্ককে গাণিতিক সম্পর্কের মাধ্যমে ব্যখ্যা করে ফেললেন। অর্থাৎ, একজন মানুষের ক্ষেত্রে তার ত্বকে কতটা তাপ বৃদ্ধি করলে তিনি বুঝতে পারছেন, তার হিসেব করলে, তার ত্বকের ক্ষেত্রে এই সাধারণ অন্তরটি অঙ্ক কষে দেখে ফেলা সম্ভব এবং তাপমাত্রার বৃদ্ধি সংক্রান্ত বিষয়ে তার স্পর্শ অনুভূতি ওই সংখ্যাটির মাধ্যমে হিসেব করে বুঝে ফেলা সম্ভব। এই কর্মকাণ্ডের দ্বারা সরাসরি প্রভাবিত হলেন উন্ডট, এবং চার বছরের মধ্যে ওই একই বিশ্ববিদ্যালয়ে তৈরী করলেন পৃথিবীর প্রথম মনোবিদ্যা বিভাগ এবং তার প্রথম গবেষণাগার।
গ্রীক শব্দ ‘সাইকি’ এর অর্থ ‘মন’ এবং ‘লোগোস’ এর অর্থ ‘কারণ’ বা ‘যুক্তি’। এই দুই শব্দের মিশেলে, তৈরি হল বিদ্যাবিভাগের নাম, কিন্তু মজার বিষয় এখনও আমরা মন বলতে যা বুঝি, গবেষণা তাকে পাশ কাটিয়ে চলে গেল। তৎকালীন চর্চায় ‘অন্তর্দর্শন’ বা ‘ইন্ট্রোস্পেকশন’ একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি যার ব্যবহারে মানুষ নিজের অন্তরের বিশ্লেষণ করতেন এবং তা নিয়ে আলোচনা হত। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির মিশেলে উন্ডট একে বললেন ‘বস্তুগত অন্তর্দর্শন’। এতে তিনি কোন বাহ্যিক ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য (বাস্তব) বস্তুকে কেন্দ্র করে মানুষের অন্তরের অনুভূতি বোঝার চেষ্টা শুরু করলেন। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, কারো হাতে একটি পাথর দিয়ে বলা হলো, ‘এই যে পাথরটি আপনার হাতে রাখা রয়েছে, এর এখানে থাকার ফলে আপনার অন্তরে যা যা ঘটছে, তা নিরীক্ষণ করুন’। সেই বিজ্ঞান হওয়ার শুরু। যা অন্তরের, ক্রিয়াশীল, অথচ ছোঁয়া যায় না দেখা যায় না, কেবল অনুভব করা যায়, এক চিকিৎসক, পদার্থবিদ্যা-শারীরবিদ্যা-দর্শন-নৃতত্ত্ব ঘুরে সেই অন্তরকে গবেষণাগারে মাপতে বসলেন। যে প্রশ্নের সমাধান খোঁজা শুরু করলেন, তা হল, “কেন মনোবিদ্যা অন্যান্য প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের মত নীতি মেনে চলেনা? প্রতিটি প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের ইতিহাস বলছে, গবেষণালব্ধ জ্ঞানের ভিত্তিতে অগ্রগতির কথা ধরলে তারা একে অপরের সাথে নিবিড় বন্ধনে আবদ্ধ”। প্রশ্নের উত্তরে তিনি মনকে কিছু মূল ভাগে ভাগ করলেন। যেমন আবেগ, অভিজ্ঞতা, চিন্তা ও অন্যান্য। ওনার ধারণা ছিল এই অংশগুলি দিয়েই তৈরি হয় মনের কাঠামো অর্থাৎ একে বুঝলে মনকেও বোঝা যাবে। এরপর এই বিষয়গুলি নিয়ে চর্চা শুরু হল গবেষণাগারে। সারা পৃথিবীতে শোরগোল পড়ে গেল। দূর দূরান্ত থেকে বিভিন্ন বিষয় থেকে ছাত্ররা আসতে শুরু করলেন মনের বিজ্ঞান শিখতে। তারই ছাত্র এডওয়ার্ড ব্র্যাডফোরড টিচেনার, উন্ডটের মতাদর্শের সামান্য পরিবর্তন করে, আমেরিকায় কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (১৮৯৪ খ্রীঃ) শুরু করলেন ‘স্ট্রাকচারালিজম স্কুল অফ সাইকোলজি’ অর্থাৎ মনোবিজ্ঞানের সেই ধারা, যা মনের গঠন বিশ্লেষণ এবং চর্চা করে।
‘যেহেতু মনকে সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা যায় না, সেই হেতু মন একটি বৈজ্ঞানিক পরীক্ষানিরীক্ষার যোগ্য বিষয় নয়’ – এটি গবেষণাগারভিত্তিক তৎকালীন সাইকোলজির মূল তত্ত্ব হয়ে ওঠে, ফলে ব্যবহারিক, অর্থাৎ সরাসরি পর্যবেক্ষণের অযোগ্য প্রায় সমস্ত বিষয়ই সাইকোলজি বা মনের বিজ্ঞানের আলচনার গন্ডির বাইরে পড়ে থাকে। ভিতরে গড়ে উঠতে থাকে বিজ্ঞানের এক জটিল দুর্গ। পদ্ধতি সেই একই, প্রথমে গবেষণার প্রশ্ন(বা সমস্যা) তারপর পূর্বানুমান, সেই অনুমানের ভিত্তিতে পর্যবেক্ষণের যোগ্য নিয়ামক বেছে নিয়ে তাকে সংখ্যায় পরিণত করে পরিবর্তনশীল এবং নির্ধারক নিয়ামক এর মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করা, তারপর সংখ্যা থেকে পুনরায় অনুমানটি ঠিক না ভুল, তার ব্যখ্যা। বলাই বাহুল্য, এই সময়ে সাইকোলজি বা মনোবিজ্ঞানের চর্চা যারা করছেন, তারা প্রায় সবাই রয়ে গেছেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগারের ভিতরে। অর্থাৎ, এরা কেউই ‘থেরাপিস্ট’, ‘কাউন্সেলর’, ‘সাইকিয়াট্রিস্ট’ নন। মানসিক রোগের ধারণা তার আগে থেকেই সমাজে থাকলেও, সাইকোলজিস্টরা তখনও সেই রোগ নিয়ে বা তার চিকিৎসা নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছেন না। বরং অপর্যবেক্ষণীয়কে পর্যবেক্ষণের আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
প্রায় এই সময়েই, চিকিৎসাবিজ্ঞান থেকে সাইকোলজির আরেকটি ধারা নিয়ে সামনে আসবেন ডঃ সিগমন্ড ফ্রয়েড। ১৮৮৩ তে ডাক্তারি পাস করে কিছু সময় স্নায়ুরোগ নিয়ে চর্চা করেন প্যারিসে ডঃ চারকোটের অধীনে। এরপর ডঃ জোসেফ ব্রিউয়ার এর সাথে কাজ করতে আসেন, যিনি রোগী দেখবার সময়ে হিপনোসিসের প্রয়োগ করতেন। ডঃ ব্রিউয়ার খেয়াল করেন, হিপনোসিস প্রয়োগে মানুষকে তার চেতনার এমন এক অবস্থানে নিয়ে যাওয়া যায়, যাতে মানুষ নিজের অজান্তেই অনেক কথা বলে ফেলেন এবং ফলস্বরূপ বিভিন্ন শারীরিক উপসর্গ ধীরে ধীরে কমে যেতে থাকে। কিন্তু এই পদ্ধতির প্রয়োগে ফ্রয়েড বেশ কিছু সমস্যার সম্মুখীন হন। হিপনোটিক অবস্থার বাইরে আসার পর সেই তথ্যের প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে রোগীরা আর মনে করতে পারেননা, বরং অপমানিত বোধ করেন। বিকল্প ব্যবস্থার খোঁজে ফ্রয়েড আবিষ্কার করেন ‘ফ্রি আসোসিয়েশন’ বা অবাধ ভাবানুষঙ্গের চর্চা। এতে জ্ঞানতই মানুষকে তার কোন একটি উপসর্গকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে কথা বলতে বলা হয় যার সাথে এই উপসর্গের কোন সম্পর্ক থাকতে পারে। এতে সময়-সংক্রান্ত কোন বিধি নিষেধ ছাড়াই কথা বলতে দেওয়া হত, এবং রোগীরা মনমত বিষয় নিয়ে কথা বলতেন। এই পদ্ধতিতেও ওই একই ধরনের কথা উঠে আসতে শুরু করে যা নিয়ে আলোচনার ফলস্বরূপ তাদের উপসর্গগুলি ধীরে ধীরে কমে যেতে থাকে। হিস্টিরিয়ার চিকিৎসায় এই পদ্ধতি সাফল্য পেতে শুরু করে এবং এই পদ্ধতিতে ধীরে ধীরে শুরু হতে থাকে স্বপ্ন বিশ্লেষণ, এবং রোগী ও চিকিৎসকের আভ্যন্তরীণ সম্পর্কের বিশ্লেষণ ইত্যাদি পদ্ধতি।
এই ধারা, অর্থাৎ সাইকোঅ্যানালিসিস, সাইকোলজিকে চিকিৎসার আঙ্গিকে চর্চায় আনে, যার মূল লক্ষ্যই ছিল বিভিন্ন রোগের কারণ হিসাবে মানসিক প্রক্রিয়াগুলোকে বুঝতে চেষ্টা করা। অর্থাৎ, এই প্রেক্ষিতে, রোগের চিকিৎসায় যারা মন নিয়ে চর্চা শুরু করলেন, তারা হলেন ‘থেরাপিস্ট’। সেই ক্ষেত্রে যদি কারো চিকিৎসাবিদ্যার ডিগ্রি থেকে থাকে, তিনি পরিচিত হতে থাকেন ‘সাইকিয়াট্রিস্ট’ হিসাবে।
পদার্থবিদ্যা, এবং চিকিৎসাবিদ্যা থেকে আসা মানুষেরা যখন তাদের কাজের প্রেক্ষিতে মনোবিদ্যাকে বুঝতে চেয়েছেন, তখন, তাদের চর্চিত প্রক্রিয়া হিসেবে গবেষণাগারে ব্যবহৃত হয়েছে সাইকোফিজিক্স, এম.আর.আই., এফ.এম.আর.আই., এবং বিভিন্ন স্ট্যাটিসটিকাল পদ্ধতি। কিন্তু যা পর্যবেক্ষণীয় নয়, তা দিয়ে রোগ সারানো বা দেশসুদ্ধ মানুষের পর্যবেক্ষণীয় ব্যবহারের ভবিষ্যদবাণী কেমন করে সম্ভব? বিজ্ঞান না হলে তো বিষয়ভিত্তিক না হয়ে ব্যক্তিভিত্তক হয়ে যাবে মনোবিদ্যাচর্চা। তখন কেনই এর নীতিগুলিকে প্রমাণিত ‘সত্য’ হিসেবে গণ্য করা হবে? তাই আজও তার দায় বর্তায় অপর্যবেক্ষণীয় কে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে পর্যবেক্ষণ করার। তাই মনকে যেমন করেই হোক, ‘মনস্ততত্ত্ব’ থেকে বারংবার ‘মনোবিজ্ঞান’ হয়ে উঠতে হয়।

[লেখক – মনোবিজ্ঞান ও মোহিনীঅট্টম-এর ছাত্রী।]

Facebook Comments

Leave a Reply