অনঙ্গদীপ বসু-‘র কবিতা

চার

ওঁ অপবিত্র পবিত্রবা সর্বাবস্থা গতোহপিবা
যস্মরেৎ পুণ্ডরীকাক্ষং বাহ্যান্তরঃ শুচিঃ


একটি লিবিডো ঝুলে রয়েছে আকাশে, আরেকটি থেকে ঝুলছে মহান আকাশ। হাওয়া লেগে দু’জনাই দুলে উঠছে রহস্যের অন্ধকার খাঁজে। অসম্ভব পূর্ণ হবে একে অপরের গায়ে ধাক্কা লেগে গেলে।


যে আগুন জ্বলছে তাকে সুদীর্ঘকাল আগে জ্বালানো হয়েছে। আজ আমি পুড়ে যাচ্ছি কেউ নেই, তাই। হে স্হিতির ঈশ্বর, তুমি অস্থিটুকু রেখো। গন্ডোকের শীতল জলে শেষকৃত্যও হবে না আমার ?


কাঁপে হাত— মুরগির ধড়ের মতো ছটফট করে। ওষুধ গিলেও আর কালোজল বেশিদিন এড়ানো যাবে না। মেঘগুলো সরে সরে যায়। ভয় করে। একা লাগে।


নারকোল গাছের ওই পাতাগুলি সবচে’ বেশি অবাক করেছিলো। অন্ধকারে খসখস শব্দ হতো মরণ-বাঁচনের। ভেবে দেখলে মনে হয় আমি যেন শূন্য দশকের কোনো কবি। ভেবে দেখলে আমি যেন ইন্দ্রনীল ঘোষের কবিতা হারাবার সময় যার সত্যিই পরনে কিছুই ছিলো না।

Facebook Comments

1 thought on “অনঙ্গদীপ বসু-‘র কবিতা Leave a comment

Leave a Reply