পলাশ দে-র কবিতা

fail

ট্যুর

অজয় নদী, চিৎ শুয়ে আছে
ট্রেন না থামলেও তুমি উঁকি দেবে একবার
মরা বালি সরে সরে মেলা বসবে
তাপমাত্রা মাপা হবে
একমাত্র তোমাকে অস্বীকার করবে বলে সমস্ত উদাস গান
দীর্ঘশ্বাস থমকে থমকে হাঁড়িচাচা পাখি হয়ে যায়

এই দ্যাখার বয়েস কত!

মেহেমান মেহেমান
যে কোনো অপমানে লবন মেশাতে মেশাতে
খিদে আঁকতে ভুলে যাচ্ছি, যতক্ষণ না,
যতক্ষণে তুমি আসবে -ট্যুর বাতিল করে বলবে, এবার, উপুড় হও… বমি করো

গন্তব্য, অপরাধ

একটা সিরিঞ্জ। উল্টো। মানে সে আর ফেলতে চাইছে না কিছু, এখন থেকে শুধুই ভেতর ভেতর ভেতরে। টেনে নেওয়ার পালা।
আন্ডারগ্রাউন্ডে থাকার সময় পেয়েছে ঠিকানাটা। প্রথমে আমার শুক্রাণুতে ধানের দুধ মেশাতে হবে, তার পর। আরে তার পরের ব্যপার আপাতত মুলতবি। ধান-ই তো পাওয়া যাচ্ছে না! আঠেরো নং জ্যান্ত ছাদে কয়েক ছড়া দ্যাখা গেলেও …এখনও পোয়াতি হয়নি।

ইনজেকশন ঘুরছে। কত দেশ কত্ত কেল্লা লুকিংগ্লাস চুমুর আগাায় টলতে টলতে…। ধানের বদলি কী মেশাবে খুঁজতে খুঁজতে শেষমেষ পরমানু ধাক্কা খেলো। আহা চতুর্দিকে কণা কণা পরমানু। গাছ মশা হাওয়া …সব্বাই সমস্ত উল্লাস।

স্তন টিপলেও মশলা গুঁড়ো গুঁড়ো হাতবোমা। কেউ কাঁদছে না। কোত্থাও কোনও অবাক নেই। সিরিঞ্জ দেখলে কেবল সকলে এগিয়ে দিচ্ছে লিঙ্গ আর যোনি।
আর কিছু নেই তোমাদের?
কী গো অন্য কোনও ইচ্ছে করে না!

আন্ডারগ্রাউন্ডে যে ঠিকানা দিয়েছিলো সেটা মনে নেই। আরে মনই তো নেই থাকবে কীভাবে? সিরিঞ্জের তিন ফোঁটার একটায় অনুভূতি। দ্বিতীয় সহ্য এবং তিন নম্বরটা ওই ওই আমার ডিম্বাণুতে ধানের দুধ মিশলেই -।

আগে শুক্রাণু বলেছিলাম? কী জানি। মনে নেই। সিরিঞ্জের নল সেই কবে থেকে জেহাদ করে চলেছে বাংলা ভাষায়।

কী,ওটা আন্ডারগ্রাউন্ডে হবে বলছো? উল্টো বললাম!
তা হবে হয়তো

Facebook Comments

Leave a Reply