যুগলবন্দী :: অমিতাভ মৈত্র ও দেবাশিস চক্রবর্তী

fail

[শুধু শারীরিক নয়, এই মানসিক দূরত্বের সময় আমরা চেয়েছিলাম শিল্পীরা কাছাকাছি আসুক। তাই এই উদ্যোগ – যুগলবন্দী। আলাদা আলাদা মাধ্যমে কাজ করা শিল্পীরা একজোট হয়েছেন। সৃষ্টি হয়েছে কবিতা থেকে ছবি বা ছবি থেকে কবিতা। এ’ভাবেই এ’ আয়োজনে কবি অমিতাভ মৈত্র ও শিল্পী দেবাশিস চক্রবর্তী।]


কবি পরিচিতি

অমিতাভ মৈত্র
বাংলা কবিতায় এক স্বতন্ত্র স্বর নির্মাণ করেছেন সাতের দশকের এই কবি। ‘টোটেম ভোজ’, ‘ষাঁড় ও সূর্যাস্ত’ খুবই উল্লেখযোগ্য দুটি কাব্যগ্রন্থ। বহরমপুর নিবাসী এই নিভৃতচারী কবি ও গদ্যকারের প্রকাশিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থগুলির মধ্যে রয়েছে ‘পতনকথা’, ‘পিয়ানোর সামনে বিকেল’, ‘সি আর পি সি ভাষ্য’ ইত্যাদি। প্রকাশিত হয়েছে ‘পতনশীল নায়ক’, ‘সাপলুডো’, ‘বালিভাষ্কর্য’, ‘কাচের ছায়া’। নিকট অতীতে প্রকাশিত হয়েছে তাঁর ‘কবিতা সংগ্রহ’-এর প্রথম খণ্ড।

 

ভাবনা ও সংবেদন

 

অমিতাভ মৈত্র

ক্লান্ত অনাকর্ষক গলা জড়িয়ে কোনো উট
দীর্ঘক্ষণ ধরে জল খেয়ে যায় মরুভূমির দিকে তাকিয়ে
আর বিশ্বাস করে এভাবেই সে বাঁচিয়ে রাখছে মরুভূমিকে
একদিন যে হয়তো কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে তার কাছে

মরুভূমিই শুধু জানে সে বেঁচে থাকে
                    তার অন্তর্গত শক্তির জন্য
আর তার আত্মার সৌন্দর্য কোনো উট আবিষ্কার করতে পারে না।

শিল্পী পরিচিতি

দেবাশিস চক্রবর্তী

উনি একজন অসামান্য শিল্পী, শিল্পের জন্য নিবেদিতপ্রাণ পেশাদার শিল্পী। একাধারে উনি একজন সমাজসচেতন কলকাত্তাইয়া, অন্যধারে একজন বিশ্বনাগরিক। দেবাশিসবাবুর কাজ ওঁকে এনে দিয়েছে দেশবিদেশের নানা সম্মান। তাও মাটি ও মানুষের গন্ধ উনি ভোলেননি। ভীষণ কাজপাগল হলেও কাজ ছাড়া সাহিত্য, বিশ্বরাজনীতি ইত্যাদি নানা বিষয়ে ওঁর বিপুল পড়াশোনা। আজকাল ডিজিটাল আর্টেও বেশ মনোনিবেশ করেছেন এই শিল্পী।

বড় ক’রে দেখার জন্য ছবিটিতে ক্লিক করুন

Facebook Comments

Leave a Reply