যুগলবন্দী :: অর্ঘ্য বন্দ্যোপাধ্যায় ও হুয়ান সোতো

fail

[শুধু শারীরিক নয়, এই মানসিক দূরত্বের সময় আমরা চেয়েছিলাম শিল্পীরা কাছাকাছি আসুক। তাই এই উদ্যোগ – যুগলবন্দী। আলাদা আলাদা মাধ্যমে কাজ করা শিল্পীরা একজোট হয়েছেন। সৃষ্টি হয়েছে কবিতা থেকে ছবি বা ছবি থেকে কবিতা। এ’ভাবেই এ’ আয়োজনে কবি অর্ঘ্য বন্দ্যোপাধ্যায় ও শিল্পী হুয়ান সোতো।]


কবি পরিচিতি

অর্ঘ্য বন্দ্যোপাধ্যায়

শূন্য দশকের এই কবি খড়গপুর থেকে কলকাতা এসেছিলেন ছবি আঁকা শিখতে। নাড়া বেঁধে শেখেন শিল্পী সমীর ভট্টাচার্যের কাছে। এখন গ্র্যাফিক ডিজাইনারের পেশায়। জার্নালিজম ও মাসকমিউনিকেশনের ছাত্র এই কবি সম্পাদনা করেছেন ‘বৈখরী ভাষ্য’ পত্রিকা। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ – ‘ডিসেম্বর সংহিতা’।

মায়া দখলের মেয়ে

অর্ঘ্য বন্দ্যোপাধ্যায়

জবর দখলের মায়া লেগে আছে মেয়েটির
বাঁকা আলোয় গুনগুন করছে সকাল
আগুনের কাছে উড়ন্ত প্রজাপালন এসে জুটলেই
কামরার ভেতর আসমান এসে জোটে
আর বসে লেখো প্রতিযোগিতা
হয়ত আমরাও বেড়াতেই যাচ্ছি, বা এলাম
এইতো, ফুলগাছগুলো মেয়েটির
সত্যি কথাগুলো মেয়েটির
থেমে এলে, সত্যি প্রেমের শব্দ হবে ঘন বর্ষায়

তাই রোদের ভেতর আজ উড়ে বেড়াচ্ছে মেয়েটির করা অনুবাদ
মেয়েটির করা লোকাল ট্রেনের আলপনাগুলি
ওই বাঁকানো আলোয় মুকেশ ছড়ানো দর্দ
ক্ষীরাই স্টেশনে নেমে পড়ল
নেমেই পড়ল…


শিল্পী পরিচিতি

হুয়ান সোতো

যদিও শিল্পীর জন্ম প্রত্যন্ত আর্জেন্টিনায়, কিন্তু তারপর লা প্লাতা বলে এক ছিমছাম শহরে ডিজাইন ও ভিস্যুয়াল কমিউনিকেশন পড়তে এসে সেই শহরের সান্নিধ্যে তাঁর ডানা মেলা। অনেক ছোটবেলা থেকেই তারপর তাঁর নান্দনিক কাজকর্মে আগ্রহ, কমিক্স, অলঙ্করণ, ও গ্রাফিক ডিজাইনের প্রতি তাঁর অসীম টান তাঁকে এনে ফেলল রাজধানী শহর বুয়েনার্স এয়ার্সে। অনেক কাজ করেন এখানে যেমন রেকর্ড কভার, কমিক্স, অলঙ্করণ ইত্যাদি। গত দশ বছর তিনি সেখানকারই বাসিন্দা। সবতো প্রতিষ্ঠান শেখায় না, ছবি নিয়ে নিজের আগ্রহই তাঁর পথ চলার প্রধান অবলম্বন। অবশ্য কাজ ছাড়াও আগ্রহের আরও ক্ষেত্র আছে , যেমন, বইপড়া, সিনেমা দেখা, এমনি একটু হাঁটতে বেরোনো। বিশেষ প্রীতি ছড়িয়ে আছে মিশরীয় সংস্কৃতির আনাচে কানাচে। কিন্তু সর্বোচ্চ ভাল লাগা ছবি আঁকা।

বড় ক’রে দেখার জন্য ছবিটিতে ক্লিক করুন

Facebook Comments

Leave a Reply