যুগলবন্দী :: নীলাদ্রি দেব ও শ্রীহরি দত্ত

fail

[শুধু শারীরিক নয়, এই মানসিক দূরত্বের সময় আমরা চেয়েছিলাম শিল্পীরা কাছাকাছি আসুক। তাই এই উদ্যোগ – যুগলবন্দী। আলাদা আলাদা মাধ্যমে কাজ করা শিল্পীরা একজোট হয়েছেন। সৃষ্টি হয়েছে কবিতা থেকে ছবি বা ছবি থেকে কবিতা। এ’ভাবেই এ’ আয়োজনে কবি নীলাদ্রি দেব ও শিল্পী শ্রীহরি দত্ত।]


কবি পরিচিতি

নীলাদ্রি দেব

জন্ম ১৪ এপ্রিল, ১৯৯৫. কোচবিহারে। শারীরবিদ্যায় স্নাতক। যুক্ত আছেন শিক্ষকতায়।
কবিতা বই- ধুলো ঝাড়ছি LIVE, জেব্রাক্রসিং ও দ্বিতীয় জন্মের কবিতা, এবং নাব্যতা।
সহঃ সম্পাদিত পত্রিকা – ইন্দ্রায়ুধ, বিরক্তিকর।

 

সাইডলাইন

নীলাদ্রি দেব

একটি মেধাবী লাশের ভেতর হাঁটছি
প্রতিটি উল্কার পেটে ছাই দ্যাখে
                           নিরব নিস্তব্ধ দিন
দিন তো দুপুরের পেটে, হ্যাঙারের মাঝে গ্যাপ
অক্লান্ত অট্টহাসি সেরে বমি উঠে আসে
প্রচণ্ড পারমাণবিক আকর্ষণ আজ
                                            বাতাসে বিদ্যুতে
হারতে হারতে যে/ যারা ছলনাকেই স্থির সত্য ভেবে নেয়
  কোনোভাবেই তাদের ছায়ায় কোনও জেব্রাক্রসিং নেই
লাল নীল আলো, ক্যারামের পকেট
    … সবটা লেবুবাগানেই ফেলে আসব
ঘৃণা মাখা আলখাল্লায়
         এখনও গত জন্মের পাপ লেগে আছে
তবু, তবু বাতাসে আততায়ীর ছেঁড়া চিৎকার
গল্পের শেষে গরু হারিয়ে গেলে
         কবিরাও আবক্ষ মূর্তি প্রতিস্থাপন করেন
আর রেসমাঠে ভাঙা অথচ নিজস্ব ডানা
                         হারিয়ে ফেলে বাদামি ঘোড়ার জকি


শিল্পী পরিচিতি

শ্রীহরি দত্ত

জন্ম ১লা ফেব্রুয়ারী, ১৯৭৮ প্রান্তিক জেলা কোচবিহারের একটি জনপদে। চিত্রকলায়, মূলত জলরঙে নিজস্ব ছাপ দেখা যায় শ্রীহরির। প্রচ্ছদ শিল্পেও গড়ে তুলেছেন স্বতন্ত্র ঘরানা। শিল্পী অজস্ৰ গোষ্ঠীগত প্রদর্শনী, একক প্রদর্শনী, কর্মশালার অংশ হয়েছেন দেশে, বিদেশে।

বড় ক’রে দেখার জন্য ছবিটিতে ক্লিক করুন

Facebook Comments

Leave a Reply