যুগলবন্দী :: প্রশান্ত গুহমজুমদার ও বিপ্লব দত্ত

fail

[শুধু শারীরিক নয়, এই মানসিক দূরত্বের সময় আমরা চেয়েছিলাম শিল্পীরা কাছাকাছি আসুক। তাই এই উদ্যোগ – যুগলবন্দী। আলাদা আলাদা মাধ্যমে কাজ করা শিল্পীরা একজোট হয়েছেন। সৃষ্টি হয়েছে কবিতা থেকে ছবি বা ছবি থেকে কবিতা। এ’ভাবেই এ’ আয়োজনে কবি প্রশান্ত গুহমজুমদার ও শিল্পী বিপ্লব দত্ত।]


কবি পরিচিতি

প্রশান্ত গুহমজুমদার

জন্ম: ৩১ আশ্বিন ১৩৫৯। রাণীবাগান, বহরমপুর, মুর্শিদাবাদ। জীবিকা: ১৩৮০ থেকে প ব সরকারের অধীনে বিভিন্ন প্রশাসনিক পদে ৯টি জেলায় চাকরি। স্ত্রী: তানিয়া গুহমজুমদার। অবসর: ১৪১৯, কৃষ্ণনগর।
সম্মাননা: কবিতা পাক্ষিক, সান্নিধ্য, বাসভূমি।
প্রকাশিত কবিতার বই: জলে রাখো, শুদ্ধতায়; যাত্রাপুস্তক; প্রশান্ত পুণ্যশ্লোকের কবিতা; রম্য রচনা; স্ববিষয়ে দুচার বাক্য; কাহাদের কথা; এইখানে যত শব্দ; ১৪২২ সনে ইতিবৃত্তের বেলুন।

বেলাছোটর ক্যাকোফোনি

প্রশান্ত গুহমজুমদার

এই ছবি নকল। অর্থাৎ রক্তের যে ঘনত্ব ঘটনাকালে ইতিমধ্যেই নিবন্ধিত, জল গড়াইয়া কালে কালে এই ছবি। আঁশটে গন্ধ অনুপস্থিত, বিলম্বের ফলে। এবং সম্পর্ক সে ঘরদুয়ারে ছিল না। কেবল দুয়ার এবং পাটকাঠির অন্তর্বতী অন্ধকারে একখানি হাঁসুয়া। অন্তর্বতী, সুতরাং বিশেষ এক কৌতুক। ধর্ষণকালে ঊষা আসিয়াও সে হাস্য। তরলে তরল। অথচ বর্তমানে পরিত্রাণ নাই বরফেও। দৃশ্যেও এমত তারল্য কৌতূহলোদ্দীপক। মুক্তো যথা। তুলনা কিঞ্চিৎ দুর্বল ঘটিল, কিন্তু মরণকালে সজীব ছিল সে আলো। ছবিতে উহা অপ্রধান হইয়া আছে। এমন কি আঁক পর্যন্ত। নকলনবিশ শব্দটি প্রচল ছিল না সে কালে। তথাপি জলঙ্গী এই সাক্ষ্য অদ্যাবধি বহন করিতেছে অপরূপ বিহনে।


শিল্পী পরিচিতি

বিপ্লব দত্ত

জন্মঃ ১৯৫১। লেখাপড়া : স্কুল ও কলেজ-বহরমপুর। ছবি আকা ও লেখা ছোটবেলা থেকে। শিল্প সচেতনতা তৈরি করার তাগিদে আবহমান শিল্প সংগঠনের আবহমান শিল্প ১,২ এবং ৩-এর আহ্বায়ক। জন্মমাটি ছেড়ে ১৯৮০তে কলকাতা। শিল্পে শর্ট কোর্স একাডেমি অফ ফাইন আর্টস স্টুডিওতে।
নির্মাণ – লিন্ডসে আর্ট গ্যালারি (পার্মানেন্ট ফুটপাথ আর্ট গ্যালারি) সর্বভারতীয় ; একক এক্সিবিশন, গ্রুপ শো এবং ১৭টি চিত্রমালা সিরিজ। আর্ট ক্যাম্প দেশ ছাড়িয়ে সিঙ্গাপুর, বালি, ইন্দোনেশিয়া। দেশে ও বিদেশে শিল্পকর্ম সংগ্রহ। ফিল্ম কোর্স এবং ডকুমেন্টারি বোলান ও রেমিসিস।
অ্যালবামঃ অ্যাক্যুরিয়াম, প্রতিকৃতি ও ফ্যান্টাসি।
একক প্রদর্শনী : কলকাতা,দিল্লি, বেঙ্গালুরু।

বড় ক’রে দেখার জন্য ছবিটিতে ক্লিক করুন

Facebook Comments

Leave a Reply