গণতন্ত্র ও ইউ.এপিএ. আইন : বরুণ দাসগুপ্ত

fail

শুরুরও একটা শুরু থাকে। অতএব শুরুর থেকেই শুরু করা যাক। ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল অমৃতসরে জালিয়ানওয়ালাবাগের হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। একটি ছোট পার্কে অনেক লোক সমবেত হয়েছিলেন রাওলাট আইনের প্রতিবাদ করতে। পার্কটির চারদিক বন্ধ করে দিয়ে ব্রিটিশ সরকারের পুলিশ গুলি চালায় এবং প্রায় হাজার খানেক নিরস্ত্র প্রতিবাদী মানুষ মারা যান।

কি ছিল রাওলট আইনে? সন্ত্রাসবাদীদের (অর্থাৎ স্বাধীনতা সংগ্রামীদের) দমন করার জন্য তৈরি এই আইনে বিধান দেওয়া হয়েছিল যে রাজনৈতিক মামলায় জুরি ছাড়া বিচার করা যাবে৷ (তখন জুরি ব্যবস্থা ছিল। সেই ব্যবস্থা তুলে দেওয়া হয়েছে অনেক আগেই)।যে কোনো ব্যক্তিকে বিনাবিচারে আটক করা যাবে।পুলিশ যে-কোনো লোককে কোনো কারণ না দেখিয়েই আটক করতে পারবে।সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে যে-কোনো লোককে দু’বছর বিনা বিচারে জেলে পুরে রাখতে পারবে।সংবাদপত্র আরো কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা ঐ আইনে সরকারকে দেওয়া হল। দেওয়া হল বিনা ওয়ারন্টে যাকে খুশি গ্রেপ্তার করার ক্ষমতা। বিনা বিচারে যতদিন খুশি কোনো ব্যক্তিকে জেল বন্দী করে রাখার ক্ষমতা।আর ‘ইন ক্যামেরা’ মানে আদালতে কোনো সংবাদপত্র বা অন্য কোনো লোক উপস্থিত থাকতে পারবে না এইভাবে বন্ধ ঘরে বিচার চলবে।তাছাড়া যারা অভিযুক্ত, যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং যাদের বিচার চলছে, তাদের এটা জানারও অধিকার থাকবে না যে কে বা কারা তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে এবং কি সাক্ষ্যপ্রমাণ আদালতে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হচ্ছে।

রাওলট আইন সম্পর্কে এই তথাগুলি মনে রেখে এইবার দেখা যাক ইউএপিএ, অর্থাৎ বে-আইনী কার্যকলাপ (নিবারণ) আইনে কি আছে? মনে রাখা দরকার যে এই আইনটি পাস হয়েছিল ১৯৬৭ সালে, যখন কেন্দ্রে ক্ষমতায় কংগ্রেস আর প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। ইউএপিএ-র আগে ছিল ‘টাডা’, অর্থাৎ টেররিস্ট আ্যান্ড ডিসরাপটিভ অ্যাক্টিভিটিজ অ্যাক্ট। ১৯৯৫ সালে টাডা আইনের মেয়াদ আর বাড়ানো হয় নি, ফলে আইনটি ল্যাপ্স করে যায়। আরো একটা দমনমূলক আইন ছিল, যার নাম প্রিভেনশন অফ টেররিজ্‌ম্‌ অ্যাক্ট (‘পোটা’)।ইউএপিএ আইন আগের দু’টি আইনের থেকেও কড়া৷

তার পরে, কংগ্রেস আমলেই, ইউএপিএ আইনটিকে তিনবার সংশোধন করা হয় — ২০০৪, ২০০৮ এবং ২০১৩ সালে। প্রতিটি সংশোধনীই আইনটিকে আরো দমনমূলক করে। এই আইনে টেররিজ্‌ম্ বা সন্ত্রাসবাদের যে সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, সেই রকম কোনো সন্ত্রাসবাদী কাজ যদি কোনো নাগরিক করে, তা সে ভারতের ভেতরেই হোক বা বিদেশে, তাহলে সে এই আইনের আওতায় পড়বে। সে যদি জাহাজে বা বিমানে থাকে তাহলেও। সরকারি কর্মচারীরাও এই আইনের আওতায় পড়বেন। অর্থাৎ যে কোনো সরকারি কর্মচারীকে এই আইলে গ্রেপ্তার ও অভিযুক্ত করা যেতে পারে৷

এই আইনের চতুর্থ পরিচ্ছেদে বিভিন্ন ধরনের কার্যকলাপ, যাকে সরকার সন্ত্রাসবাদী বলে মনে করেন, তার জন্য বিভিন্ন ধারায় শাস্তির বিধান করা হরেছে। এই শাস্তি মানে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পর্যন্ত হতে পারে৷ অপরাধ প্রমাণের দায়িত্ব পুলিশ ও কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা এজেন্সিগুলির ওপরে পড়ে। বিভিন্ন সময়ে এই এজেন্সিগুলিকে গঠন করা হয়েছিল৷ এদের তালিকায় সর্বশেষ সংযোজন এন.আই.এ. বা ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেটিং এজেন্সি। এন.আই.এ. কোনো রাজ্যের রাজ্য সরকারের অনুমতি ছাড়াই তদন্ত চালাতে পারে ও যে কোনো
লোককে গ্রেপ্তার করতে পারে।

বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি এখন রাষ্ট্রকে এতো শক্তিশালী করেছে যে সরকারবিরোধী যে কোনো ব্যক্তি বা
সংগঠনকে সন্ত্রাসবাদী আখ্যা দেওয়া যেতে পারে৷ ভীমা-কোরেগাঁও মামলায় আমরা দেখেছি যে সম্পূর্ণ নির্দোষ
ব্যক্তিকে ফাঁসানো হয়েছে তার অজ্ঞাতসারে তার কম্পিউটারে অপরাধ প্রমাণকারী বা ইনক্রিমিনেটিং দলিল
দস্তাবেজ বা মেসেজ ঢুকিয়ে দিয়ে এবং তার পর সেই সব দলিলের ভিত্তিতে তাকে সন্ত্রাসবাদী প্রমাণ করে বিনা বিচারে দীর্ঘকাল জেলে আটকে রাখা যায়৷ এমন কি গুরুতর অসুস্থ ও মরণাপন্ন ব্যক্তিকেও জামিন দেওয়া হয় না। একেবারে আসন্ন মৃত্যুর সময় লোক দেখানোর জন্য তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়, এ বিষয়ে নিশ্চিত হবার পর যে সে আর হাসপাতাল থেকে কিরে আসতে পারবে না। ফাদার স্ট্যান স্বামীর ক্ষেত্রে ঠিক সেইটেই
ঘটেছে।

সরকার যে সব মানবাধিকার রক্ষক সংগঠনগুলিকে অপছন্দ করেন তারা বাতে বিদেশ থেকে কোনো টাকা না পায় তা নিশ্চিত করার জন্য “ফরেন কন্ট্রিবিউশন রেগুলেশন এ্যাক্ট” পাস করানো হয়েছে। এই আইনের বলেই অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মত প্রতিষ্ঠানকেও ভারত থেকে পাততাড়ি গুটোতে বাধ্য করা হয়। কারণ তারা সরকারের দ্বারা মানবাধিকার লংঘনের ঘটনাগুলি প্রকাশ করে দিচ্ছিল। তার সোজা মানে এই যে সরকারবিরোধী বা সরকারের সমালোচক কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনকে এই সব আইনের দ্বারা “সন্ত্রাসবাদী”
আখ্যা দিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা বা সংগঠন হলে তাকে বেআইনি করা ও তার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বিনা
বিচারে ও বিনা জামিনে দীর্ঘকাল জেলে পচিয়ে মারাকে আইনসিদ্ধ করা। সরকার এইভাবেই দেশকে “বিরোধীমুক্ত” করতে চায়।

মোদী সরকারের আমলে সরকার-বিরোধিতা আর দেশদ্রোহিতা এক হয়ে গেছে। সরকারি দলের নেতাদের সমালোচনা মানেই এখন দেশদ্রোহিতা। এই রকম বেশ কয়েকটি মামলায়, যেখানে নিছক সরকারের সমালোচনা করার জন্য কোনো নাগরিককে ধরে তার ওপর ইউএপিএ আইনে দেশদ্রোহিতার অভিযোগ আনা
হয়েছে, সেগুলি উচ্চ আদালতে নাকচ হয়ে গেছে। এই ধরনের মামলায় এখন অভিযুক্তকে হাইকোর্ট বা সুপ্রিম
কোর্টে যেতে হয় (অবশ্যই যদি তার ট্যাঁকের জোর থাকে), কারণ নিম্ন আদালতগুলি এখন সরকারের বিরুদ্ধে
রায় দিতে ভয় পায়।

গত ১৬ জুন দিল্লী হাইকোর্ট ইউএপিএ আইনে আটক তিন ছাত্র-ছাত্রীকে জমিন দেয়। হাইকোর্ট তার রুলিং-এ বলে যে, “কোনো আইনে শান্তি দেওয়ার ব্যবস্থা” যতো কঠোর হবে ততো কঠোর ভাবে শাস্তি দেওয়ার আগে এর সারবত্তা বিচার করতে হবে। এই তিন ছাত্র, দেবাঙ্গনা কলিতা, নাতাশা নারওয়াল ও ইকবাল তন্‌হাকে এর পর কেন্দ্রীয় সরকার ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। এখানে উল্লেখ করা দরকার যে দিল্লী একটি ইউনিয়ন টেরিটরি হওয়া সত্বেও পুলিশ দিল্লীর রাজ্য সরকারের হাতে নেই, আছে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে।

নিজেদের রুলিং দেবার আগে দিল্লী হাইকোর্ট সুপ্রিম কোর্টের অনেক গুলি গুরুত্বপূর্ণ রুলিং-এর উল্লেখ করে যেখানে সুপ্রিম কোর্ট সন্ত্রাস ও সন্ত্রাস বিরোধী আইন সম্পর্কে নিজেদের বিধান দিয়েছে৷

আমাদের দেশের শাসকবৃন্দ যতোই ভারতকে বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র বলে জয়ঢাক বাজান, গোটা বিশ্ব কিন্তু ভারতে একটু একটু করে গণতন্ত্র লোপ পাবার প্রক্রিয়ার দিকে তীক্ষ্ণ নজর রাখছে। সুইডেনের ভি-ডেম ইন্সটিটিউট তাদের রিপোর্টে বলেছে যে ভারত এখন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বলে পরিগণিত হওয়ার মর্যাদা হারাতে বসেছে। ভারতে ব্যক্তি স্বাধীনতা,সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা,বাক-স্বাধীনতা এবং সরকার-বিরোধী মত প্রকাশের স্বাধীনতা কী রকম “নাটকীয়ভাবে” ক্ষুণ্ণ হচ্ছে তার নানান দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছে।

কাশ্মীরের অবস্থা আরো খারাপ। সেখানে যে কোনো লোককে নিরাপত্তাবাহিনীর লোকেরা তুলে নিয়ে যেতে পারে এবং তার পরে সেই ব্যক্তির হয় আর কোনো খোঁজই পাওয়া যায় না,নয় তার মৃতদেহ পাওয়া যায়৷ এবং নিরাপত্তা বাহিনী ও পুলিশ বাঁধাধরাভাবে অস্বীকার করে যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে তারা আদৌ আটক করেছিল। কাশ্মীরে যত রকমের ব্যক্তি-স্বাধীনতা বিরোধী আইন আছে সবই ব্যবহার হয়েছে ব্যক্তি-স্বাধীনতা খর্ব করার জন্য।

শুধু তো ইউএপিএ নয়, ব্যক্তি-স্বাধীনতা খর্বকারী অনেক আইন আছে এবং এই সব আইনই সংসদকে দিয়ে পাশ করিয়ে নেওয়া হয়েছে “জাতীয় নিরাপত্তা”-র অজুহাতে। যেমন, জাতীয় নিরাপত্তা আইন,পাবলিক সেফটি এ্যাক্ট,আর্মড ফোর্সেস (স্পেশাল পাওয়ার্স এ্যাক্ট)। এ ছাড়াও আছে এসেনশিয়াল সার্ভিসেস মেনটেনান্স এ্যাক্ট। এই আইন-বলে যে কোনো রাজ্য সরকার বা কেন্দ্রীর সরকার যে কোনো সার্ভিস (যেমন পরিবহন) আবশ্যকীয় বা এসেনশিয়াল সার্ভিস বলে ঘোষণা করে সেখানে ধর্মঘট নিষিদ্ধ করতে পারেন।

জুলিও রিবেরো ছিলেন মুম্বই-এর পুলিশ কমিশনার। অত্যন্ত কর্মদক্ষ পুলিশ অফিসার৷ তাঁর কর্মদক্ষতার জন্য পাঞ্জাবে খলিস্তানী সন্ত্রাসের সময় তাকে পাঞ্জাব পুলিশের ডাইরেক্টর জেনারেল করা হয়। বহুকাল আগে তিনি এই লেখককে বলেছিলেন যে পুলিশের কাজ হচ্ছে কোনো অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে তাকে আদালতে হাজির করা এবং তার পর তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে তার অপরাধের অকাট্য প্রমাণ সংগ্রহ করে তা আদালতে পেশ করা যাতে অপরাধীর শাস্তি হয়৷

কিন্তু পুলিশ যদি জানে যে নিছক সন্দেহের বশেই কোনো লোককে গ্রেপ্তার করা যায় এবং অনেক পরিশ্রম করে তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ সংগ্রহ না করেই তাকে বিনাবিচারে দীর্ঘকাল আটক করে রাখা যায়,তাহলে পরিণামে পুলিশের নিজের কর্মদক্ষতাই হ্রাস পায়।

এই ধরনের ব্যক্তি-স্বাধীনতা বিরোধী এবং দমনমূলক আইন পাশ করানো এবং তার ভিত্তিতে প্রশাসন চালানোর প্রবণতা প্রশাসকদের মধ্যে তখনই দেখা দেয় যখন জনসাধারণের সঙ্গে তাঁদের সংযোগ কমে যায় বা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং রাষ্ট্রশক্তির স্বেচ্ছাচারী বা আরবিট্রারি ক্ষমতা প্রয়োগ করে শাসন চালানো ছাড়া আর কোনো উপায় থাকে না। এবং আন্তে আন্তে এই বেআইনি ব্যবস্থাই আইনি হয়ে যায়৷ এবং এটা বৈধতা পায় “এনকাউন্টার ডেথ”,নামে। অর্থাৎ পুলিশ কোনো সন্ত্রাসবাদীকে গ্রেপ্তার করতে গেলে সে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় এবং পুলিশ আত্মরক্ষার জন্যই পাল্টা গুলি চালায় এবং সন্ত্রাসবাদী বলে কথিত ব্যক্তি নিহত হয়।

গেটা দেশে, বিশেষ করে কাশ্মীরে, পাঞ্জাবে এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজাগুলিতে এই ধরনের তথাকথিত “এনকাউন্টার ডেথ” কতো যে হয়েছে তার কোনো লেখাজোখা নেই। একটা লোককে ধরে এনে ঠাণ্ডা মাথায় গুলি করে মারা হয়েছে এবং তাকে “এনকাউন্টার ডেথ” বলে চালিয়ে দেওয়া হয়েছে। বহু ক্ষেত্রেই দেখা গেছে যে নিহত ব্যক্তির বুকে গুলি লাগে নি,লেগেছে তার পিঠে কিন্তু পুলিশ নিশ্চিন্ত। কারণ সে জানে যে রাষ্ট্র তার কাছে কোনো কৈফিয়ত চাইবে না এবং তাকে কোনো কৈফিয়ত দিতেও হবে না। এর চূড়ান্ত নিদর্শন হচ্ছে আর্মড ফোর্সেস (স্পেশাল পাওয়ার্স) এ্যাক্ট। ঐ আইনের ৪ (ক) ধারায় বলা হয়েছে যে নিরাপত্তা বাহিনী যে কোনো লোককে নিছক সন্দেহের বশে হত্যা করতে পারবে। এবং ৬ ধারার বলা হয়েছে বে কেন্দ্রীর সরকারের অনুমতি ছাড়া নিরাপত্তা বাহিনীর কোন লোকের বিরুদ্ধে আদালতে কোন মামলা করা যাবে না।

এটাই হয়। সরকারী স্বৈরাচারকে মানুষ যত মেনে নেয় ততোই সরকারের স্বৈরাচারী মনোবৃত্তি আরো গেড়ে বসে। ইংরিজি প্রবাদে বলে “এটার্নাল ভিজিল্যান্স ইজ দ্য প্রাইস অফ লিবার্টি।” সেই রকম এটাও সত্যি যে “এটার্নাল ভিজিল্যান্স ইজ দ্য প্রাইস অফ ডেমোক্র্যাসি।” সচেতন মানুষের সংঘবদ্ধ প্রতিরোধ ছাড়া সরকারি সন্ত্রাসকে প্রতিহত করা যায় না। বাহ্যিক গণতন্ত্রের আড়ালে অগণতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। যেমন এখন এই দেশে হয়েছে। ইউএপিএ আইন হল রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস কায়েম করার অন্যতম অস্ত্র।

[লেখক – এক বিরল প্রজ্ঞাবান সাংবাদিক, ‘দি হিন্দু’, ‘পেট্রিয়ট’, ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’, ‘মেইন্সট্রিম’, ‘আজকাল’ প্রভৃতি সংবাদপত্রে কাজ করেছেন। কোনদিন প্রথাগত বিদ্যালয়ে যান নি। কৈশোরে গান্ধীজির স্নেহধন্য, সীমান্ত গান্ধী, মৌলানা আজাদ, নেহরু, সুভাষ চন্দ্র বসু ইত্যাদিদের খুব কাছে পেয়েছেন।।]

Facebook Comments

Leave a Reply